সোমবার, অক্টোবর ৩, ২০২২
10.5 C
Toronto

Latest Posts

কর্মক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিনেশন নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

- Advertisement -
ফাইল ছবি

ভ্যাকসিন আসার এক বছর পর সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশের কর্মক্ষেত্রে কখন এবং কি ধরনের বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিনেশন চালু করা হবে সে ব্যাপারে পরিস্কার ধারণা পাচ্ছেন নিয়োগদাতা ও কর্মীরা। সাম্প্রতিক রুলিংয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এমনটাই বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, তবে এ ধরনের নীতি সব সময়ই প্রয়োগযোগ্য কিনা সে ধরনের লিখিত উত্তর অন্টারিবাসীর প্রত্যাশা করা উচিত নয়।

মিলার থমসনের আইনজীবী মাইকেল ক্লেভারল্যান্ড বলেন, ইউনিয়নভুক্ত কর্মক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা আরোপ করা যাবে কিনা সে উত্তর খুঁজতে প্রত্যেক কমক্ষেত্রের বৈশিষ্ট বিবেচনা করে দেখছেন লেবার আরবিট্রেটররা। তবে সবার জন্য সমাধানটা একই রকম নয়। এর যৌক্তিকতা নির্ভর করছে কর্মক্ষেত্রের সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও পারিপার্শিক অবস্তার ওপর। এবং বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সত্যিই সেখানে গোষ্ঠী সংক্রমণ বাড়ছে কিনা তার ওপর।

- Advertisement -

দ্য কানাডিয়ান প্রেস জানায়, গত নভেম্বরে দেওয়া এক রুলিংয়ে একজন আরবিট্রেটর একটি নিরাপত্তা কোম্পানির বাস্তবায়ন করা নীতি বহাল রাখেন। ওই কোম্পানির ৪৫০ জন কর্মী সমগ্র প্রদেশে কাজ করেন এবং তারা নিজেরাই ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে। নীতিতে মেডিকেল কারণে কর্মীদের অব্যাহতি চাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করলে শাস্তি এমনকি চাকরিচ্যুতির সুযোগও রাখা হয়েছে।

নীতিটিকে যৌক্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করেন আরবিট্রেটর ফ্রেড ভন ভেহ। তার মতে, এতে একটা ভারসাম্য রয়েছে। অর্থাৎ কর্মীদের ভ্যাকসিন না নেওয়ার অধিকার যেমন এতে দেওয়া হয়েছে একইভাবে কর্মক্ষেত্র নিরাপদ রাখতে ক্লায়েন্টসহ অন্যদের অধিকারও স্বীকার করা হয়েছে।

একই মাসে দেওয়া আরেকটি রুলিংয়ে একটি ইলেক্ট্রিক্যাল সেফটি এজেন্সির কর্মীদের ওপর আরোপিত বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিনেশনকে অযৌক্তিক ও অপ্রয়োগযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়। কারণ, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অপেক্ষাকৃত কম আগ্রাসী বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব।

সেক্ষেত্রে কোম্পানির অধিকাংশ কাজই সম্পন্ন হয় দূর থেকে এবং সিংহভাগই কর্মীই ভ্যাকসিনেটেড। এছাড়া কর্মীদের মধ্যে আক্রান্তও হয়েছেন মাত্র কয়েকজন। কোম্পানির ভ্যাকসিনেশন সম্পর্কে ঐচ্ছিক তথ্য দেওয়ার ও পরীক্ষা সংক্রান্ত আগের নীতি কার্যকর বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয় রুলিংয়ে।

আরবিট্রেটর জন স্টাউট তার রুলিংয়ে লেখেন, ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণে একজন কর্মীকে শাস্তির মুখোমুখি করা বা চাকরিচ্যুত করার বিকল্প থাকায় এটা অন্যায়। তবে পরিস্থিতি বদলালে ভবিষ্যতে হয়তো এ ধরনের বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক হতে পারে।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.