
দুইদিনের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় গেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সেখানে বিশ্ব নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কূটনৈতিক সংঘাত এড়িয়ে চলতে চাইবেন।
ন্যাটো সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষায় বিপুল অঙ্কের ব্যয় করতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় সামরিক বাজেট ব্যাপক বৃদ্ধির বিষয়টি সম্মেলনের বড় বিষয় হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এর অন্তরালে রাশিয়া কতখানি হুমকি হিসেবে দেখা দিতে পারে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিশৃঙ্খল পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে বিভক্তি রয়েই গেছে।
কানাডিয়ান প্রতিরক্ষা খাতের থিঙ্কট্যাঙ্ক সিডিএ ইনস্টিটিউটের প্রধান গেইল রিভার্ড পিচ বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় যে সঠিক পথে রয়েছে এই সম্মেলনে জোটের সদস্যদের তা প্রমাণ করার জন্য এবং এর ফলে সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী হবে।
২০১৪ সালে যে বছর রাশিয়া ক্রাইমিয়া আক্রমণ করে দখল করে নেয় ঠিক সেই বছরই জোটের সদস্যরা তাদের মোট জাতীয় আয়ের ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সম্মত হয়। কানাডা দীর্ঘদিন ধরে এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে হিমশিম খাচ্ছিল এবং নতুন করে বিপুল অঙ্কের সামরিক ব্যয়ের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যমাত্রা কানাডা পূরণ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ন্যাটো। কিন্তু ২ শতাংশ এখন ভিত্তি; সর্বোচ্চ সীমা নয়।
গত বছর দি হেগে শক্তিশালী সামরিক বাজেটের ব্যাপারে প্রায় সব সদস্য দেশ রাজি হওয়ার পর ৭-৮ জুলাই অনুষ্ঠিত এটাই প্রথম ন্যাটো সম্মেলন। ২০৩৫ সাল নাগাদ জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দেয় ন্যাটো দেশগুলো।

