
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কানাডা পোস্ট কর-পূর্ব ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার (২০৫ মিলিয়ন) লোকসান করেছে। লোকসানের এই পরিমাণ আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় বেশি। রাজস্ব ও মেইল ডেলিভারি হ্রাস পাওয়ায় লোকসানের পরিমাণ বেড়েছে প্রান্তিকটিতে।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ২০২৫ সালের একই প্রান্তিকের তুলনায় লোকসান বেশি হয়েছে ১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে কানাডা পোস্টের কর-পূর্ব লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। এ ছাড়া প্রান্তিকটি সার্বিক রাজস্ব আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ বা ১৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হ্রাস পেয়েছে।
কানাডা পোস্ট বলেছে, বিপুল পরিমাণ এই লোকসানে শ্রম অনিশ্চয়তা বড় ভূমিকা রেখেছে। পুরো প্রান্তিকজুড়ে করপোরেশনের কানাডিয়ান ইউনিয়ন অব পোস্টাল ওয়ার্কার্সদের (সিইউপিডব্লিউ) সঙ্গে কোনো কালেক্টিভ এগ্রিমেন্ট ছিল না। সম্ভাব্য চুক্তির জন্য কর্মীরা ২০৯ এপ্রিল থেকে ভোট দিচ্ছেন।
এই অনিশ্চয়তা পার্সেলের গ্রাহকদের অধিক স্থিতিশীলতার আশায় প্রতিযোগীদের কাছে ঠেলে দিয়েছে। পার্সেল ডেলিভারি বাবদ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কানাডা পোস্টের রাজস্ব কমেছে আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ১৭ দশমিক ১ শতাংশ। পার্সেলের সংখ্যা ৭০ লাখ পিসে নেমে এসেছে।
এ ছাড়া চিঠি বিতরণ বাবদ রাজস্ব কমেছে আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। চিঠির সংখ্যা কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। প্রত্যক্ষ বিপণন বাবদ রাজস্ব হ্রাস পেয়েছে আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ বা ১৪ কোটি ৬০ লাখ পিস।
করপোরেশনটি বলছে, আর্থিক এই চ্যালেঞ্জ জাতীয় পোস্টাল সেবাকে শক্তিশালীকরণ, ব্যবসায় সহায়তা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনপ্রতিষ্ঠায় বড় ধরনের রূপান্তর জরুরি হয়ে পড়েছে। কানাডা পোস্ট দেউলিয়াত্ব থেকে নিজেদের রক্ষায় ২০২৫ সাল থেকে ফেরতযোগ্য ফেডারেল নগদ আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। অবশ্যই এর অবসান ঘটাতে হবে।
বিতরণযোগ্য পার্সেলের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কানাডা পোস্টের পরিচালন ব্যয় কমেছে এক কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

