
ব্র্যাম্পটনের একটি হিন্দু মন্দিরের বাইরে কয়েক শ লোক জড়ো হলে পিল পুলিশ সেই সমাবেশকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। ভারতীয় কন্স্যুলার কর্মকর্তাদের মন্দির পরিদর্শনে বিশৃক্সক্ষল ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার একদিন পর এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।
কয়েক শ মানুষ মন্দিরের পার্কিং লটে জমায়েত হন এবং তাদেরকে ভারতীয় পতাকা নাড়তে দেখা যায়। সাময়িকভাবে উভয় দিকে রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে তাদেরকে সড়ক ধরে হাঁটতে দেখা যায়।
এর কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে জানায়, বিক্ষোভে অস্ত্র বহন করতে দেখা গেছে এবং এটা অবৈধ সমাবেশ। তাই লোকজনকে চলে যেতে বলা হচ্ছে অথবা গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হচ্ছে।
পিল পুলিশ বলেছে, গোর রোডের উভয় দিকই এ সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। খালিস্তান নামে আলাদা শিখ রাষ্ট্রের দাবিতে তারা বিক্ষোভ করেন। অনেককেই এসময় ভারতীয় পতাকা উড়াতে দেখা যায়।
শিখ ফর জাস্টিস নামের গ্রুপটি বলেছে, জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের পেনশন পেতে প্রশাসনিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কন্স্যুলেট কর্মকর্তাদের ঘোষিত সফরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন খালিস্তানের সমর্থকরা।
হিন্দুদের দীপাবলির ছুটি উদযাপন এবং ভারত ও কানাডার মধ্যকার উত্তেজনার মধ্যে এই সংঘাতের ঘটনা ঘটল। খালিস্তানপন্থী স্বাধীনতা আন্দোনের ব্যাপারে কানাডিয়ানদের তথ্য সংগ্রহে ভারতীয় কূটনীতিকরা তাদের পদকে ব্যবহার করছে অভিযোগ ওঠার পর গত মাসের ছয় ভারতীয়ি কূটনীতিককে বহিস্কার করে কানাডা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংগৃহীত এসব তথ্য তারা সরাসরি বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা অপরাধী গোষ্ঠীর কাছে বিস্তারিত সরবরাহ করতেন।
কানাডা খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে ভারত। নয়া দিল্লি অটোয়ার কাছে তাদের প্রত্যাবার্তনেরও আহ্বান জানিয়েছে। যদিও ওইসব অনুরোধের সপক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ নেই বলে জানিয়ে আসছেন কানাডিয়ান কর্মকর্তারা।

