
চালকদের হাজার হাজার টিকিট ইস্যুর জন্য কুখ্যাত টরন্টোর একটি স্পিড ক্যামেরা পুনরায় স্থাপনের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে আবারও কেটে নামানো হয়েছে। শনিবার সকালে পার্কসাইড ড্রাইভের ক্যামেরাটি মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ নিয়ে নভেম্বরে দ্বিতীয়বারের মতো ইকুইপমেন্টটি ভাংচুর করা হলো।
সেইফ পার্কসাইডের কো-চেয়ার ফারাজ ঘোলিজাদেহ বলেন, এটা খুবই হতাশাজনক। কারণ, স্পিড ক্যামেরাটি এখানে ছিল গতি কমানোর জন্য। এটা ছিল নিরাপত্তার জন্য। মনে হচ্ছে যারা এটা করেছে তারা টরন্টোর রাস্তায় যা হচ্ছে এবং পার্কসাইডে যা হচ্ছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় তারা।
২০২১ সালে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর ফলে ঘটা দুর্ঘটনায় বয়স্ক এক দম্পতি নিহত হওয়ার পর পার্কসাইড ড্রাইভ এবং অ্যালগনকিন এভিনিউয়ের কাছে স্পিড ক্যামেরাটি স্থাপন করা হয়।
সেইফ পার্কসাইডের তথ্য অনুযায়ী, স্পিড ক্যামেরাটি ৬০ হাজারের বেশি টিকিট ইস্যু করেছে, যার সঙ্গে জরিমানা জড়িত ৬৮ লাখ ডলারের বেশি।
সিটি কর্তৃপক্ষ শনিবার এই চুরি ও ভাংচুরের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। সিটির একজন মুখপাত্র বলেন, অটোমেটেড স্পিড এনফোর্সমেন্টের (এএসই) ক্ষতি করা অথবা চুরি করার ঘটনা সড়ক নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সেই সঙ্গে বিপন্ন সড়ক ব্যবহারকারীদের কাছে বিপজ্জনক গতিতে যানবাহন চালানো অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে।
সিটি কর্তৃপক্ষ বলেছে, ক্যামেরাটির মালিক একজন ভেন্ডর এবং তারা এখন ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করে দেখছে। সেই সঙ্গে এটি মেরামতের পরিকল্পনা করছে।
সেইফ পার্কসাইডের মতে, এই এলাকার সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু স্পিড ক্যামেরা যথেষ্ট নয় এবং আরও বেশি কিছু করা প্রয়োজন।

