
আইকনিক দুটি পর্বত চূড়ার মাঝখানে দশকের পর দশক ধরে দ-ায়মান অ্যাবট পাস হাট। এর নিচের বরফ গলার ফলে এটি বন্ধের আগ পর্যন্ত সারা বিশে^র পর্বতারোহীদের গন্তব্য ছিল এটি। জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে ঐতিহাসিক আরোহণ মুছে দিচ্ছে তা জানতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরির গবেষকরা এখন হাটের লগের শতাব্দি পুরোনো এন্ট্রিগুলো ব্যবহার করছেন। জলবায়ুর এই পরিবর্তন কানাডিয়ান পর্বতারোহণের ধরণই বদলে দিচ্ছে।
জিওগ্রাফির ডক্টরাল প্রার্থী কেট হ্যানলি বলেন, কানাডিয়ান পর্বতগুলোর ওপর জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে প্রভাব ফেলছে সে ব্যাপারে সত্যিকারের মন্তব্য রয়েছে। এবং হাট পরিদর্শনকারী অনেকেই এ নিয়ে দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কানাডিয়ান রকিজে পর্বতারোহণের ধরন বদলে যেতে ভূমিকা রাখছে জলবায়ু পরিবর্তন।
পর্বতারোহণ গাইডরাও এর সঙ্গে একমত। ২৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডিয়ান মাউন্টেন গাইডসের প্রেসিডেন্ট পল ভিদালিন বলেন, চিরাচরিত রুটগুলো বদলে গেছে। কোথাও কোথাও বরফ উধাও হয়ে গেছে এবং সেখানে কেবল পাথর পড়ে আছে।
আল্পাইন ক্লাব অব কানাডার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস গুডিয়নসন ৩০ বছর ধরে ক্লাইম্বার ও স্কিয়ারদের গাইড করে আসছেন। তিনি বলেন, এটা সত্যিই হৃদয়বিদারক। বহু রুট হারিয়ে গেছে অথবা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এবং সেগুলো আর ফিরে আসছে না।
গবেষণাপত্রে অ্যাবট পাস হাটের লগে রেখে যাওয়া পর্বতারোহীদের ৬ হাজার ২৮৩টি ট্রিপ রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ১৯২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তথ্য আছে এতে।

