
আমি একটি অনিশ্চিত কঠিন সময়ের মধ্য কাটিয়েছি এই সাতটি মাস । সহিষ্ণুতাও অদম্য মানসিকতায় ভর করে আমি আমার স্বামী কবি ও কথাসাহিত্যক ইকবাল হাসানকে কঠিন লড়াই করে বাঁচাতে চেষ্টা করেছি । আমার অদম্য মনোবলে সে এই সাতটি মাস হসপিটাল
ও নিজ বাসভবনে বাঁচার সম্ভাবনায় ছিলো । পারলাম না বাঁচাতে । আহারে, আমার হাতটি ধরে ছিলো শক্ত করে ওপারে যাবার
আগে । কেনো আমি হাতটি ছেড়ে দিলাম, কেনো পারলাম না আরো কটা বছরের জীবন দিতে !
আমার সন্তান কাঁদে , ওর বাবাকে ফেরত
চায় । কেউকি পারবেন ওকে ফেরত নিয়ে আসতে ?
ইকবাল হাসানকে নিয়ে আমার নিবেদন-
তোমার আমার প্রেম
এসো আমরা দু’জনে সব বাধা বিপত্তির বাঁধ ভেঙ্গে চুরে বসি ঐ নীলাকাশের নীচে,
নীলিমা সমুদ্রের শীতল কোলে।
নিবিড় সংস্পর্শে, একান্ত ঘনিষ্ঠভাবে।
হাতে হাত মিলিয়ে, তোমার নীল অতলান্ত চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাবো রুপালি জ্যোৎস্নামাখা ছায়াতলে।
কথা হবে হৃদয়ের তপ্ত নিঃশ্বাস -প্রশ্বাসের মাধ্যমে।
আমি দু’হাত ভরে তাজা ভালোবাসা নিয়ে তোমার কাঁধে মাথা রেখে নির্লিপ্ত ছোঁয়ায় রাঙিয়ে দিব তোমার স্বপ্নভরা হৃদয়।
তুমি পাগল হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে টেনে নিবে তোমার তৃষ্ণার্ত বুকের মাঝে।
তারপর দু’জনের হৃদপিণ্ডের স্পন্দনের শব্দে, উত্তাপে উঠবে পরিণয়ের ঝড়।
প্রেমের তীব্র নেশায় মাতাল হয়ে হারিয়ে যাবে আমরা প্রেমের ভুবনে।
ভালোবাসার নির্মল পিপাসা মিটাবো প্রেমের অথৈ জলে।
চাঁদের জ্যোৎস্না তখন হিংসে করে তারাগুলোকে চুপিচুপি বলবে দেখ,
তাদের মাঝে কত প্রেম, কত ভালোবাসা।
নীল আকাশটা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পাঠাবে শুভেচ্ছা বার্তা।
সৌরজগতের গ্রহ ও নক্ষত্ররাজি মুগ্ধ হয়ে তোমার আমার প্রেমের ছায়ানাট্যের অস্কার প্রাপ্তির ঘোষণা করবে।
আমাদের প্রেম পাবে পূর্ণতা,হবে বিজয়ী।
আর তুমি আমি পৃথিবীর অস্তিত্ব হয়ে বেঁচে থাকবো অনাদি-অনন্তকাল নক্ষত্রের ছায়াতলে।

