
টরন্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩৭ দশমিক ৮ কেজি ঘোষণা বহির্ভুত খাদ্য ও প্রাণীজ পণ্য শনাক্ত করেছে ডিটেক্টর ডগ ধারলা। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) এই তথ্য জানিয়েছে।
সিবিএসএ মুখপাত্র বলেন, এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঘোষণাবহির্ভুত মুরগির মাংস, গিনি ফাউল, ছাগলের মাংস, গরুর চামড়া এবং গুড়া দুধ। নায়াগ্রা থেকে ৯ জুন বিমানবন্দরে আসা একজন ভ্রমণকারীর কাছে এসব পণ্য পাওয়া গেছে। পণ্যগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং ভ্রমণকারীকে এক হাজার ৩০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
সংস্থাটি সিপি২৪কে জানিয়েছে, খাদ্য সামগ্রীগুলোর ঘোষণা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ মনিটারি পেনাল্টি সিস্টেমের অধীনে জরিমানা করা হয়েছে।
ধারলা নামের কুকুরটি ২০২৩ সালের মার্চ থেকে সিবিএসের সঙ্গে কাজ করছে। কুকুর ও বর্ডার সার্ভিসেসের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে যে দুল গঠন করা হয়েছে ধারণা তার অংশ। একসঙ্গে কাজ করে তারা মাদক, অস্ত্র, অর্থ ও খাদ্য পাচার বন্ধ করে। এই পদ্ধতি যাত্রী, লাগেজ ও বাণিজ্যিক চালানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।
বর্ডার সার্ভিসেস ভ্রমণকারীদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, সব ধরনের খাবার, উদ্বিদ ও প্রাণীজ পণ্য দেশে আনতে হলে আইন অনুযায়ী তার ঘোষণা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে জীবিত প্রাণী ও প্রাণীজ পণ্য যেমন রান্না কা অথবা কাচা মাংস, চামড়া, দুধ, চর্বি, বাটার, পনির, ডিম, মাছ, সামদ্রিক খাদ্য, উদ্ভিদ পণ্য যেমন ফল, সবজি, বীজ, বাদাম, হাউসপ্ল্যান্ট, কাঠ, ফায়ারউড, ফুল, কীটপতঙ্গ এবং মাটি। এসব পণ্যের কোনো একটি কেউ যদি ঘোষণা দিতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে তাদের পণ্য জব্দ করা হতে পারে, এক হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে অথবা তারা বিচারের মুখোমুখিও হতে পারেন।
ভ্রমণকারীরা সাধারণত যেসব পণ্যের ঘোষণা দিতে ব্যর্থ হন তার মধ্যে রয়েছে বাড়িতে তৈরি খাবার, কাঠের সামগ্রী, ফায়ারউড, রান্না করা অথবা কাচা মাংস, মাটি, মাছ ধরার টোপ, হোমিওপ্যাথিক বা মেডিসিন হিসেবে ব্যবহারযোগ্য উদ্ভিদ, বাটার, দইয়ের মতো দুগ্ধজাত পণ্য এবং ফল ও সবজি।

