
ব্যাংক অব কানাডার কর্মকর্তারা এই মুহুর্তে অর্থনীতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো ঝুঁকি দেখছেন না। যা দেখা যাচ্ছে তা হচ্ছে একাধিক নাজুকতা, যা একই সময়ে মাথা চাড়া দিতে পারে এবং কানাডার আর্থিক ব্যবস্থার প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে বাজার, পরিবার এবং বৃহত্তর আর্থিক ব্যবস্থার কোথায় তারা সবচেয়ে বড় ঝুঁকি দেখতে পাচ্ছে।
জ্যেষ্ঠ উপ-গভর্নর ক্যারোলিন রজার্স এক সংবাদ সম্মেলনে জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবেদনটি কোনো পূর্বাভাস নয় এবং সুদের হার সংক্রান্ত কোনো নির্দেশিকাও নয়।
ভূ-রাজনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বৈশি^ক সার্বভৌম ঋণ কর্মকা- সংক্রান্ত একাধিক ঝুঁকির এক্িট রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।
রজার্স বলেন, একটি একটি করে দেখলে এসব নাজুকতা সামাল দেওয়া সম্ভব। কিন্তু তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অর্থনীতিকে একটি বড় আঘাত আসলে একইসঙ্গে তা একাধিক ঝুঁকি সামনে আনতে পারে। এর প্রভাব হতে পারে ধারাবাহিক এবং তা কানাডার আর্থিক স্থিতিস্থাপকতাকে পরীক্ষার মুখে ফেলে দেবে। অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
রজার্স বলেন, ২০২৫ সালের পূর্বাভাসের তুলনায় খানা ও ব্যবসার ঝুঁকি মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।
এক বছর আগে আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনের বড় অংশজুড়ে জোর দেওয়া হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের কারণে উদ্ভুত ঝুঁকির দিকে। এখন পর্যন্ত এর ফলাফল ব্যাংক অব কানাডা যতটা খারাপ হবে বলে ভয় পেয়েছিল ততটা খারাপ হয়নি।

