
গণপরিবহনে খাবার পরিবেশনের আর কোনো পরিকল্পনা নেই টরন্টো সাবওয়েতে পিকনিকের আয়োজনকারী সেই নারীর। তবে লোকজনের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার পরিবেশনের পরিকল্পনা তিনি বাদ দিচ্ছেন না। টরন্টো সাবওয়ের ওই পিকনিক নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা হয়।
ইজি পেত্রাগলিয়া এবং নয়জনের একটি গ্রুপ ২৮ জুলাই গ্লেনকেয়ার্ন স্টেশন ছেড়ে যাওয়া একটি সাবওয়ে কারে টেবিল নিয়ে বসেন, যেখানে ছিল বাড়িতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাবার। এর মধ্যে ছিল প্যানসিট নুডলস, পাইনেপল ব্রাউন সুগার হ্যাম, স্পাইসি মিসো কিউকাম্বা সালাদ, সুইট অ্যান্ড স্পাইসি টফু, ব্রোকোলি এবং উবে হোয়াইট চকোলেট কুকিস। সাবওয়ে কারটি যাত্রা শেষে ফিরে না আসা পর্যন্ত গ্রুপটি সেখানে অবস্থান করে এবং সহযাত্রীদেরকে খাবার ুনতে উৎসাহিত করে। সব মিলিয়ে সাবওয়েতে তারা ৯০ মিনিট অবস্থান করেছিল।
পেত্রাগলিয়া বলেন, বহু ট্রানজিট আরোহী সাদরে খাবার গ্রহণ করেন। বিশেষ করে কুকিস ছিল তাদের সবচেয়ে পছন্দের। আমরা বহু মানুষের সঙ্গে মিশেছি। ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ আমাদের কাছে আসে এবং তারা খাবার না নিলেও তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলতে এবং এ ব্যাপারে শেখার আগ্রহ ব্যক্ত করে। অনেকে শুধু ছবি তোলেন এবং হাসেন। এখানে সত্যিই নেতিবাচক কোনো মন্তব্য কারো কাছ থেকেই আসেনি।
যাত্রা শেষ হওয়ার আগে বেশিরভাগই খাবারই শেষ হয়ে যায়। পেত্রাগলিয়া বলেন, আমাদের কাছে কেবল কয়েকটি হ্যাম অবশিষ্ট ছিল। পুরো অনুষ্ঠানটি যেভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা নিয়ে আমি সত্যিই খুব খুশি।
সাবওয়েতে একই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের আর কোনো পরিকল্পনা পেত্রাগলিয়ার নেই। তবে লোকজনের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার পরিবেশনা অব্যাহত রাখতে চান তিনি। পেত্রাগলিয়া বলেন, আমি এটা আশ্রয়ণকেন্দ্রে করতে পারি। অথবা কোনো পার্কে যেখানে প্রচুর গৃহহীন মানুষ থাকে। অর্থাৎ, লোকজনকে আমি এটা অর্থবহভাবে দিতে চাই, যারা সত্যি সত্যিই এর প্রশংসা করবেন।
এ ব্যপারে মন্তব্যের জন্য টিটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

