
সশস্ত্র সংঘাত শুরু হলে ৪৯ শতাংশ কানাডিয়ান দেশের জন্য যুদ্ধ করতে ইচ্ছুক বলে অ্যাঙ্গাস রিডের নতুন এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। তবে তাদের বেশিরভাগই বলেছেন, যুদ্ধের কারণের সঙ্গে একমত হলেই কেবল তারা কেবল সেটা করবে।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যারা যোদ্ধা হিসেবে নাম লেখাতে চান তাদের বেশিরভাগের অর্থাৎ ৫৫ শতাংশের বয়স ৫৪ বছরের বেশি।
এমন এক সময় সমীক্ষাটি করা হলো যখন ন্যাটোকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফেডারেল সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াচ্ছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে পরিচালিত আরেক সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ৫ জনের মধ্যে ৪ জন অর্থাৎ ৭৯ শতাংশ কানাডিয়ান বলেছিলেন, কানাডার সশস্ত্র বাহিনীর কথা ভেবে তারা গর্ববোধ করেন। বর্তমানে একই মনোভাব পোষণ করেন অর্ধেক অর্থাৎ ৫২ শতাংশ কানাডিয়ান।
সামরিক বাহিনীতে যৌন অসদাচরণের খবর যখন সর্বোচ্চ মাত্রায় তখন তিন-চতুর্থাংশ কানাডিয়ান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের প্রতি অসম্মানের একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। পুরুষের তুলনায় কেন কম নারী স্বেচ্ছাসেবক হতে চান এর মধ্যে তার ব্যাখ্যা রয়েছে।
সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের যে সংকট নাগরিকদের মধ্যে গর্ব ঢুকিয়ে দেওয়া তার একটি সমাধান হতে পারে। কারণ, কানাডিয়ান হিসেবে যারা খুব গর্বিত বা গর্বিত তারা (৫৩ শতাংশ) কম দেশপ্রেমিকদের চেয়ে কানাডার জন্য্য স্বেচ্ছায় যুদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী।
ছেলে বা মেয়ে কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিলে সেক্ষেত্রে কানাডিয়ানদের মধ্যে যতটা না উত্তেজনা কাজ করে তার চেয়ে তারা বেশি সমর্থক।
অ্যাঙ্গাস রিড চলতি বছরের ২০ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত অনলাইনে এক হাজার ৬১৯ জন কানাডিয়ানের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করে।

