
হাইওয়ে ৪০১ এর নিচ দিয়ে টানেল নির্মাণে প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের যে প্রস্তাব তাতে করদাতাদের খরচ হবে ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
গত বুধবার প্রিমিয়ার এই ঘোষণা দেন। সেখানে টরন্টোর উত্তরে কিছু সড়কের জন্য এক্সপ্রেসওয়ে কীভাবে নতুন, দ্রুতগতির রুট সুবিধা দিতে পারে সে ব্যাপারে প্রদেশের সক্রিয় ও চলমান কারিগরি মূল্যয়নের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এই সড়ক ব্র্যাম্পটন ও মিসিসোগা ছাড়িয়ে মারখাম ও স্কারবোরো পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে।
প্রিমিয়ার ফোর্ড বলেন, এটা হবে বিশে^র অন্যতম দীর্ঘ টানেল। তারা যদি বলেন যে, ৩০ কিলোমিটার হচ্ছে এক্স, ৪০ কিলোমিটার হচ্ছে ওয়াই এবং ৭০ বা ৬০ কিলোমিটারের জন্য আলাদা খরচ তাহলে চলুন সেটা দেখি। সেটাই এই টানেলের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে দেবে এবং এ কারণেই আমরা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করছি। কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। আমার এই কথা লিখে রাখতে পারেন।
কিলোমিটারপ্রতি সম্ভাব্য ব্যয় হবে ১০০ কোটি ডলার। সম্ভাব্য খরচ অথবা প্রকৃত রুট অথবা টানেলের দৈর্ঘ্যরে তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে দেননি প্রিমিয়ার ফোর্ড।এই ব্যয় অবশ্যই এর চেয়ে বেশি হবে। বেশিরভাগ ব্যয়ই হবে টানেল নির্মাণ বাবদ। অর্থাৎ, নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, নির্মাণকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি এবং টানেল বোরিং মেশিন বাবদ এই ব্যয় হবে। কিছু অর্থ ব্যয় হবে পরিকল্পনা বাবদ।
টানেলের জন্য বিপুল পরিমাণ অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার শ্যাফট, ইমার্জেন্সি এক্সিট এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ইন্টারচেঞ্জ। মাল্টি-লেন হাইওয়ে নির্মাণের জন্য বড় আকৃতির বোরিং মেশিন মাটির গভীরে যেতে হবে।
তবে টরন্টো রিজিয়ন বোর্ড অব ট্রেড প্রদেশের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, আমাদের বড় ও সাহসী আইডিয়া প্রয়োজন। এবং হাইওয়ে ৪০১ এর তলদেশে ট্রানজিট লাইন নির্মাণ সরকারের সেই ধরনের স্বাপ্নিক পরিকল্পনা।

