
বিশেষজ্ঞদের একটি গ্রুপ এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আমেরিকানদের লক্ষণীয় প্রভাব রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অটোয়াকে দ্রুত কাজ করতে হবে। তা না হলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির আসন্ন পর্যালোচনায় অসুবিধাজনক অবস্থানে পড়ে যাবে কানাডা।
এক্সপার্ট গ্রুপ অন কানাডা-ইউএস রিলেশন্সের কো-চেয়ার পেরিন বিয়াটি বলেন, আমাদের কাছ থেকে সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো এগ্রিমেন্ট ২০২৬ সালে পর্যালোচনার আগে অটোয়া ধীর গতিতে চলছে বলে উদ্বেগের মধ্যে সম্প্রতি স্বাধীন এই গ্রুপটি জন্ম নিয়েছে। গ্রুপে আছেন সাবেক কূটনীতিক, নীতি উপদেষ্টা এবং ব্যবসায়ী নেতা।
বিশেষজ্ঞ গ্রুপটির নতুন এক প্রতিবেদনে অটোয়াকে একটি পরিস্কার কৌশল উন্নয়ন ও শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে একজন চিফ নিগোশিয়েটর নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি কানাডিয়ান ব্যবসায়ী কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করতে বলা হয়েছে।
কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিয়াটি বলেন, ট্রেন দ্রুত গতিতে স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে।
কানাডায় নিউ নাফটা নামে পরিচিত কুসমা নিয়ে দর-কষাকষির ক্ষেত্রে ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর বড় পরীক্ষার মুখে পড়ে যায় অটোয়া। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে উপপ্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, সব রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ এবং দেশের সব অঞ্চলের দিক থেকে নিউ নাফটা সব কানাডিয়ানের জন্যই একটি বিজয়। এটা সত্যিকারের টিম কানাডা উদ্যোগ।
নতুন প্রতিবেদনে লিবারেল সরকারের সঙ্গে ট্রাম্পের বর্তমান সম্পর্ককে শীতল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প যদি হোয়াইট হাউসে ফেরেন তাহলে বৈশি^ক বাণিজ্যে বিঘœ ঘটানোর দিকে তার চোখ থাকতে পারে। আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ইঙ্গি তিনি এরই মধ্যে দিয়েছেন।

