
মোট শিক্ষার্থী ভর্তিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ হিস্যা ৩০ শতাংশ বেঁধে দিয়ে সরকারি পোস্ট সেকেন্ডারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নীতিমালা চালু করেছে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সরকার। প্রাদেশিক পোস্ট-সেকেন্ডারি এডুকেশন ও ফিউচার স্কিলস মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, নতুন এই সীমার অর্থ হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যেনো উপযুক্ত সেবা সরবরাহে প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি না করে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন নীতিমালায় সরকারি বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজগুলোকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার কৌশল সম্পর্কিত পরিকল্পনা সরকারের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। সর্বোচ্চ সীমা যে পরিপালিত হচ্ছে এর মাধ্যমে সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়।
ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, সিমন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টোরিয়ার মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির হিস্যা ৩০ শতাংশ অতিক্রম করে যায়নি এবং এই পরিবর্তন তাদের পরিচালন কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে কোয়ান্টলেন পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির জন্য বেঁধে দেওয়া শিক্ষার্থী ভর্তির সীমা অতিক্রম করে ৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে। কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে ফেডারেল সরকারের ৩ লাখ ৩৬ হাজারের সীমা বেঁধে দেওয়ার আগেই তারা শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করে। এই সংখ্যা ২০২৩ সালে ভর্তি হওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর তুলনায় ৩৫ শতাংশ কম।
ইউনিভার্সিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেনা মিচেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সরকারের নীতিমালা তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে যায়।
প্রদেশ বলেছে, এ মাস থেকে এই নীতিমালা বাস্তবায়ন হয়েছে এবং আগামী বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এর সঙ্গে মানিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

