
হেইট স্পিচ অভিযোগের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুক্তি হিসেবে ধর্মকে বাদ দেওয়ার ধারণায় ইহুদি বিদ্বেষবিরোধী বিশেষ দূত খুবই আগ্রহী বলে জানিয়েছেন, ধর্মীয় মত প্রকাশকে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে ইহুদি বিদ্বেষ নিয়ে গবেষণারত সংসদীয় কমিটির সামনে এই মন্তব্য করেন বিশেষ দূত ডেবোরাহ লায়ন্স।
কমিটির সামনে ২৩ মে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি বলেন, ধারণানটি খুঁজে দেখার ব্যাপারে আমি খুবই আগ্রহী। কারণ, আমি মনে করি, এই দেশে এবং অন্যান্য স্থানে ঢাল হিসেবে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, কঠিন এই সময়ে যার কোনো ভিত্তি নেই। এ বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত দেওয়ার জন্য এখনই তিনি প্রস্তুত নন এবং এখনো বিষয়টি নিয়ে তিনি বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হেইট স্পিস ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় ইহুদি নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কয়েক মাস ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। লায়ন্স বলেন, তার বিশ^াস বিশ^বিদ্যালয়গুলোর ন্যায্যতা, বৈচিত্র্য এবং অন্তর্ভুক্তির কৌশল দেশে ইহুদিদের সুরক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে। কারণ, এগুলোতে বিশেষভাবে ইহুদি বিদ্বেষ নিয়ে খুব বেশি উল্লেখ নেই।
ইহুদিবিরোধী বৈষম্য মোকাবিলায় উন্নত প্রশিক্ষণে তার কার্যালয় কাজ করছে। সরকারসহ ইনস্টিটিউশনগুলো এটা কাজে লাগাবে বলে তার প্রত্যাশা।
হেইট স্পিচ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ গঠনে পুলিশ ও প্রসিকিউটরদের ভূমিকা এবং ফৌজদারি দ-বিধি পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কিনা সে ব্যাপারে লায়ন্সের কাছে জানতে চান সংসদ সদস্যরা। নামাজের সময় করা মন্ট্রিয়লের ইমাম আদিল চারকাউয়ির মন্তব্যকে ঘিরে কুইবেক প্রসিকিউটরদের সম্প্রতি অভিযোগ গঠন না করার বিষয়টি উল্লেখ করেন তারা।
মন্ট্রিয়লে ফিলিস্তিনপন্থী এক বিক্ষোভে ওই মন্তব্য করা হয়, যা হুমকি ও সহিংসতায় উস্কানি বলে অভিযোগ করা হয়। আরসিএমপি বিষয়টি তদন্ত করে। আরবিতে নামাজ পরিচালনার সময় চারকাউয়ি ¯্রস্টার প্রতি আগ্রাসী ইহুদিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হে খোদা! তাদের কাউকে ছাড় দিও না।

