
কানাডায় বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে গণতদন্তের ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কনজার্ভেটিভরা। কানাডার নির্বাচন ও শাসন ব্যবস্থায় বিদেশি সরকারের হস্তক্ষেপের তদন্ত কীভাবে হবে তা নিয়ে লিবারেল ও কনজার্ভেটিভদের মধ্যে সৃষ্ট অচলাবস্থা এর মধ্য দিয়ে নিরসন হলো।
স্পেশাল র্যাপোর্টার ডেভিড জনস্টন পদত্যাগ করার পর এ ব্যাপারে অন্য দলগুলোর সঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায় তা খুঁজে দেখতে গত জুনে আন্তঃসরকার বিষয়ক মন্ত্রী ডমিনিক লাব্লাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত মার্চে সাবেক গভর্নর জেনারেল ডেভিড জনস্টনকে স্পেশাল র্যাপোর্টার হিসেবে নিযুক্ত করেন।
জনস্টনের প্রাথমিক তদন্ত তাকে এ ঘটনার গণতদন্তের বিপক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য করে। তিনি বলেন, এ ঘটনার অনেক তথ্য-উপাত্ত গোপনীয় এবং সেগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বিরোধীদলগুলোও এ সিদ্ধান্ত মেনে নেন। তারা কয়েক মাস ধরে বিদেশি হস্তক্ষেপের তদন্ত দাবি করে আসছে।
কনজার্ভেটিভরা জনস্টনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগও আনেন। জনস্টন কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করলেও তদন্তকে ঘিরে অতিমাত্রায় দলীয় আবহ তৈরি হয়ে যাওয়ার কথা বলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
লাব্লাঁকে তদন্ত নিয়ে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু এটা সবারই জানা যে, একমাত্র পথ হিসেবে তদন্তকেই মানতে রাজি ছিল বিরোধীরা।

