
সিটি কর্মীদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি উদ্ঘাটন করেছেন টরন্টোর অডিটর জেনারেল। এসব জালিয়াতির মধ্যে রয়েছে প্যাকেট চুরি, সংরক্ষিত সরঞ্জাম বিক্রি করে দেওয়া এবং দ্বিতীয় আরেকটি চাকরির জন্য অসুস্থতাজনিত ছুটির অপব্যবহার।
গত মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এর বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি কমিটির সামনে পেশ করা হয়েছে। গত বছর অডিটর জেনারেলের কার্যালয়ের সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ কেলেঙ্কারির তদন্ত, যার ফলে সিটি কর্তৃপক্ষের ২৫০ কোটি ডলার ক্ষতি হতে পারত।
প্রাপ্ত অভিযোগ ২০২৫ সালে তদন্ত করেন অডিটর জেনারেল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর টরন্টোর ৪৫ লাখ ডলার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ লাখ ডলারের ক্ষতি সরকারের আদেশে ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ। একই সঙ্গে টরন্টো ৯ হাজার ডলার পুনরুদ্ধার এবং ৩৮ হাজার ডলারের ক্ষতি এড়াতে পেরেছে। গত পাঁচ বছরে প্রকৃত ক্ষতি মোট ৬৩ লাখ ডলার। কিন্তু উদ্ধার করা এবং এড়িয়ে যাওয়া ক্ষতির পরিমাণ ৪৭ লাখ ডলার।
জালিয়াতি, অপচয় ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ কোনো ধরনের ভয় ছাড়ায় জানানোর জন্য ২০০২ সালে কর্মী, কাউন্সিলর এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি হটলাইন চালু করে। এর পর থেকে তারা ১৫ হাজার ৩৫০টি অভিযোগ পেয়েছে।
অডিটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, সিটির একটি ভেন্ডরের ব্যাপারে হটলাইনের মাধ্যমে তারা পৃথক পাঁচটি অভিযোগ পেয়েছে। টরন্টোর সঙ্গে একাধিক চুক্তির ক্ষেত্রে তারা সাবকন্ট্রাক্টর কোটেশন পরিবর্তন করেছে। কিন্তু চুক্তি ও ভেন্ডরের কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ জালিয়াতির অভিযোগ খুঁজে দেখতে বাইরের প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে নিরীক্ষা করেছে। তাতে দেখা গেছে, কমপক্ষে ১১ লাখ ডলারের একটি বিল ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়িয়ে দেখানোর পেছনে রয়েছেন নাম উল্লেখ না করা একটি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা দলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য।

