
অটোয়া এবং টরন্টোর স্কুলগুলোর পাবলিক হেলথ রেকর্ড বলছে, চলতি বছরের মূল্যায়ন অনুযায়ী অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থীর ভ্যাকসিন রেকর্ড হালনাগাদ করা হয়নি। ভ্যাকসিনের হারকে শক্তিশালী করার যে চেষ্টা তাতে এটা সহায়ক নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগ বলেছে, গ্রীষ্মে গ্রেড ২ থেকে গ্রেড ৫ পর্যন্ত যেসব শিক্ষার্থী তাদের ভ্যাকসিনেশন সংক্রান্ত নথি জমা দেয়নি তাদের কাছে ৬০ হাজারটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। যদিও দি ইমিউনাইজেশন অব স্কুল পিউপিলস অ্যাক্টে স্কুলে উপস্থিত হতে হলে নয়টি রোগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য ইউনিটটি এ অক্টোবরের গোড়ার দিকে বলেছিল, ৫৪ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করেনি এবং সামনের মাসগুলোতে এ সংক্রান্ত নথি হালনাগাদ করা না হলে তাদেরকে বহিস্কার নোটিশ পাঠানো হবে।
একইভাবে অটোয়া জনস্বাস্থ্য ইউনিট ১২ অক্টোবর জানায়, গ্রেড ২ থেকে গ্রেড ১২ পর্যন্ত ১৬ হাজার শিক্ষার্থীর ভ্যাকসিন সংক্রান্ত নথি হালনাগাদ করা হয়নি। সংখ্যাটি এই বয়সশ্রেণির মোট শিশুর৬৬ শতাংশের বেশি।
অন্টারিওতে শিশুদের ভ্যাকসিন সংক্রান্ত নথি জনস্বাস্থ্য ইউনিটে জমা দেওয়ার দায়িত্ব বাবা-মায়েদের। যেসব পরিবার এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন সংক্রান্ত হালনাগাদ নথি জমা দেয়নি অথবা এ থেকে অব্যাহতি চেয়েছে তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে তারা।
টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কিছু কিছু গ্রেডের মাত্র ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর ভ্যাকসিন হালনাগাদ করা আছে। এই সমস্যা বেশি এলিমেন্টারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে।
টরন্টোর জনস্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মাইকেল মুর্তি অক্টোবরে মেট্রো হলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এটা আদর্শ পদ্ধতি নয় এবং আমরা এটা দেখতে চাই না।

