
প্রার্থনা কক্ষ, রাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের গ্রুপ এবং বিতর্কিত কোর্স কুইবেকের দুটি জুনিয়র কলেজে উত্তেজনায় ইন্ধন দিচ্ছে বলে সরকারের নতুন এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কুইবেকের শিক্ষা বিভাগের প্রকাশ করা শুক্রবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রার্থনা কক্ষগুলো চরমপন্থা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। সরকারি কলেজগুলোতে এ ধরনের কক্ষ থাকতে পারে কিনা সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে যেসব সমস্যার কথা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে এগুলো তার অন্যতম। আরও যেসব সমস্যার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যাম্পাসে কেফায়া পরিধান থেকে শুরু করে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহৃত ভাষা। এগুলোই শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে চাপ সৃষ্টি করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী পাসক্যাল ডেরি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার একটি পথ অবশ্যই আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। কারণ, কয়েকমাস ধরেই এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তেজনা ও অবিশ^াসের পরিবেশ বিরাজ করছে।
মন্ট্রিয়লের ইংরেজিভাষী দুই জুনিয়র কলেজ ডসন এবং ভ্যানিয়ের কলেজে কয়েক মাস ধরে পরিচালিত তদন্তের ফলাফল হচ্ছে ৭১ পৃষ্ঠার এই দলিল। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধকে ঘিরে ক্যাম্পাসে অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়েছে এমন অভিযোগের পর গত বছরের নভেম্বরে এই তদন্ত শুরু হয়।
উত্তেজনা প্রশমনে প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কলেজ ব্যবস্থায় একাডেমিক স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়ন। প্রদেশকে তার ধর্মনিরপেক্ষ নিয়মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পুরোপুরি নিশ্চিত করা উচিত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকার প্রতিবেদনটির কী প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ডেরি। অথবা তারা জুনিয়র কলেজগুলোতে প্রার্থনা কক্ষ নিষিদ্ধ করবে কিনা সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলেননি। কোয়ালিশন অ্যাভেনির কুইবেক সরকার এরই মধ্যে সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রার্থনার জন্য জায়গা রাখা নিষিদ্ধ করেছে।

