
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের বয়ানে, কানাডার ইতিহাসে সন্ত্রাসে অর্থায়নের সবচেয়ে বড় ঘটনার অভিযোগে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন ৩৬ বছর বয়সী টরন্টোর এক বাসিন্দা। আরসিএমপি কর্মকর্তারা বলেছেন, খলিলুল্লাহ ইউসুফ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিদেশে সন্ত্রাসে অর্থায়নের জন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার ও তহবিল স্থানান্তর করেন।
‘গোফান্ডমি’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ইউসুফ ১৫ হাজার ডলারের বেশি সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে আইসিস নামে পরিচিত দায়েশের স্বার্থে একাধিক গ্রহীতাকে ৩৫ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন। একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের কর্মকা-ে অংশ নেওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন ইউসুফ। তারই অংশ হিসেবে তিনি আইসিসে লোক জোগাড় করতে ও চরমপন্থায় উদ্বুদ্ধ করতে ৩ হাজার ৮০০ এর বেশি হাইপারলিঙ্ক সৃষ্টি ও বিতরণ করেছেন।
আরসিএমপি কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত ইউসুফ যুক্তরাষ্টের একজন নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই ব্যক্তি পরে একই সন্ত্রাসী গ্রুপকে সহায়তার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন।
আরসিএমপি এক বিবৃতিতে বলেছে, অর্থের পরিমানের দিক থেকে কানাডার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এটা সন্ত্রাসী অর্থায়নে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় ঘটনা। একইভাবে এটা কানাডায় সফলভাবে কাউকে সন্ত্রাসী অর্থায়নে দোষী সাব্যস্ত করার দৃষ্টান্ত, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করেছেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসে অর্থায়নের জন্য অনলাইন ক্রাউডফান্ডিংয়েরও প্রথম ঘটনা এটি।

