
কানাডিয়ানরা বলছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক মস্কোর সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মতোই খারাপ। নতুন এক সমীক্ষায় এমনটাই উঠে এসেছে।
লেজারের পরিচালিত সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৬ শতাংশ কানাডিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। রামিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ শতাংশ কানাডিয়ান। অন্যদিকে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৬ শতাংশ কানাডিয়ান বলেছেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে অটোয়ার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আর মেক্সিকোর সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা বলেছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৫ শতাংশ কানাডিয়ান।
সমসংখ্যক কানাডিয়ান ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কানাডার সুসম্পর্কের কথা জানিয়েছেন।
অ্যাসোসিয়েশন ফর কানাডিয়ান স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যাক জেডওয়াব বলেন, কানাডিয়ানরা যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ভয়াবহ এই মূল্যায়ন করে তখন এর পেছনে প্রত্যাশার চাপের কথা বলাই যায়।
লেজার মার্কেটিং অ্যাসোসিয়েশন ফর কানাডিয়ান স্টাডিজের জন্য ১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এক হাজার ৬০৩ জনের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করে। জেডওয়াব বলেন, কার্যত এই মনোভাবের জন্য দায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডার সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি নিয়ে হুমকি। কনফেডারেশন-পরবর্তী সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেকোনো নেতার তুলনায় কানাডিয়ানদের বেশি ঐক্যবদ্ধ করেছেন।
জেডওয়াব বলেন, কানাডিয়ানরা যখন মেক্সিকোর সঙ্গে তাদের শক্তিশালী সম্পর্কের কথা বলছেন ঠিক তার কয়েক মাস আগে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ফেন্টানাইল ও অভিবাসী পাচারের মতো ইস্যুতে মেক্সিকোর সঙ্গে কানাডাকে দূরত্ব রেখে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কানাডিয়ানদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয়েছে যে, মেক্সিকোর মতো আমরাও একই ধরনের কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। বিশেষ করে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের কাছ থেকে।

