
আলবার্টাও গণভোট নিয়ে বির্তক চলছেই। আলবার্টার শরতের গণভোটের প্রশ্ন নিয়ে হাউস অব কমন্স কোনো মতামত দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এই গণভোট কানাডা থেকে প্রদেশটির আলাদা হয়ে যাওয়ার ওপর ভোটাভুটির সূত্রপাত করতে পারে।
আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েলে স্মিথ গত সপ্তাহে অঙ্গীকার করেন যে, তার প্রদেশ অক্টোবরে গণভোটের আয়োজন করবে। সেখানে ভোটাররা পরবর্তীতে আলাদা হওয়া নিয়ে দ্বিতীয় বাইন্ডিং গণভোট চান কিনা তা জানতে চাওয়া হবে।
কার্নি মঙ্গলবার বলেন, তাকে বলা হয়েছে যে, আলাদা হওয়ার গণভোটের ওপর হাউস অব কমন্সকে নজর রাখার যে কর্তৃত্ব ফেডারেল আইন দিয়েছে প্রস্তাবিত প্রশ্ন তাকে ফেরাবে না। প্রশ্নোত্তর পর্বে কার্নি বলেন, ক্ল্যারিটি অ্যাক্টের প্রয়োগ সম্পর্কে মাত্রই বিশেষজ্ঞ পরিষদের কাছ থেকে শুনলাম এবং আলবার্টায় প্রশ্নের ওপর এটি প্রযোজ্য হবে না।
২০০০ সালে পাস হওয়া ফেডারেল ক্ল্যারিটি আইনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত পৃথক হওয়ার প্রশ্ন কানাডা থেকে প্রদেশের আলাদা হওয়ার ইচ্ছার পরিস্কার ইঙ্গিত কিনা হাউস অব কমন্সের তা নির্ধারণ করা উচিত।
হাউস যদি এ ব্যাপারে একমত হয় যে, কোনো প্রশ্ন পরিস্কার নয় তাহলে ফেডারেল সরকার প্রদেশের সঙ্গে দর-কষাকষি করতে পারবে না। তা সে ভোটের ফলাফল যাই হোক না কেন।
ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট নিয়ে কার্নির এই মন্তব্য ব্লক কেবেকোর এমপি ক্রিস্টিন নরম্যান্ডিনের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে। নরম্যান্ডিন ও তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফেডারেল সরকারের উচিত হবে না আলবার্টার গণভোটের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পৃক্ত হওয়া।
কানাডার রাজনৈতিক সচেতন নাগরিকরা এখন ভোট এবং ফলাফলের অপেক্ষায় আছে।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

