
কানাডিয়ান গ্রোসারি ও ড্রাগস্টোর চেইন মেট্রো ইনকর্পোরেশন এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে যে, ক্রেতারা জ্বালানির উচ্চ মূল্যের পুরো চাপ তাদের গ্রোসারি বিলের ওপর পড়ার অভিজ্ঞতা এখনো পাননি। যদিও পর্দার আড়ালে স্পষ্টভাবেই চাপ তৈরি হচ্ছে।
বুধবার কোম্পানি তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পর মেট্রোর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) নিকোলাস অ্যামিওট বলেন, সরবরাহকারীদের মূল্য বৃদ্ধির অনুরোধ আশ্চর্যজনকভাবে এখনো সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। মাত্র কয়েকটি অনুরোধ এসেছে। ভোক্তাদের ওপর যেকোনো খরচ চাপানোর গতি যাতে কমানো যায় সেজন্য সরবরাহকারীদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে দর-কষাকষি করছে কোম্পানি।
মেট্রোর নিজস্ব সরবরাহ নেটওয়ার্ক এরই মধ্যে ধাক্কা সামলে নিয়েছে। অ্যামিওট নিশ্চিত করেন যে, কোম্পানির লজিস্টিক কার্যক্রম পরিচালনায় জ¦ালানির যে উচ্চ ব্যয় তা সরাসরি অনুভূত হচ্ছে। এটা অনেক বড় চাপ, যা আমাদের সামলানো প্রয়োজন। এই উচ্চ ব্যয় মূল্য তালিকায় দেখতে পাওয়াটা সময়ের ব্যাপারমাত্র।
জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার নাটকীয় বৃদ্ধি থেকে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ করে দিলে জ¦ালানি তেলের দাম বেড়ে যায়। সরু কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির বিচ্ছিন্নতা জ্বালানি বাজারকে বিধ্বস্ত করে দেয় এবং বিশ^ব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করে।
এদিকে গ্রোসারির মূল্য আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চমূল্যে সমন্বয় করার আগে ভোক্তা আচরণেও পরিবর্তন আসছে। লা ফ্লেচ বলেন, গ্যাসের উচ্চ মূল্য ক্রেতাদের মধ্যে সঠিক মূল্য অনুসন্ধানের অভ্যাসকে জোরদার করেছে।

