
ক্যাসি জ্যানিয়ানি যখন রাস্তায় থাকেন বা কোনো ক্যাফেতে থাকেন তখন তার মধ্যে একটি দুশ্চিন্তা সব সময়ই কাজ করে। বিশেষ করে যখন অপরিচিত কেউ হাসিমুখে এগিয়ে আসে, যাকে খুবই নিরীহ অভিযোগ বলে মনে হতে পারে।
নিজেকে একই প্রশ্ন করার মাধ্যমে তিনি সতর্ক থাকেন। প্রশ্নটি হলো কেউ কি আমার ভিডিও ধারণ করছে? এই যে অনুভূতি সেটাকে বলা হয় হাইপারভিজিলেন্স। অত্যাবশ্যকীয়ভাবেই আপনার স্নায়ুয়ুতন্ত্র বাইরের কোনো হুমকি থেকে আপনাকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করবে।
অবসরপ্রাপ্ত সেরা কর্মকর্তা, সৈন্য ও ফার্স্ট রেসপন্ডারদের মধ্যে এই ভাবনাটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু জানিয়ানির মধ্যে এই অনুভূতির শুরুটা হয় গত জানুয়ারিতে, স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে একজন অপরিচিত ব্যক্তির তার ভিডিও ধারণের বিষয়টি জানার পর। শুধু তাই নয়, ধারণকৃত ওই ভিডিও তিনি ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে আপলোডও করেন, যা এক সপ্তাহের মধ্যে ৩০ হাজারের বেশিবার দেখা হয়। এরপর তার একজন বন্ধু এ ব্যাপারে তাকে সতর্ক করেন।
ভ্যানকুভারের এই নারী সম্প্রতি দি কারেন্টের সঞ্চালক ম্যাট গ্যালাওয়েবে বলেন, এখন এটাই আমার মনের মধ্যে সবার আগে আসে। ভয় কাজ করে। আমি জনপরিসরে জীবন উপভোগ করতে অপারগ আমি।
জানিয়ানির এই অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়ার প্রতিধ্বনি শোনা যায় বিশ^ব্যাপী ক্রমবর্ধমান নারীর কণ্ঠে। মেটার রে-ব্যান গ্লাসের সাহায্যে গোপনে তাদের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। গোপসে ভিডিও ধারণ এবং সমাজে এর প্রভাব নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারা বলেছেন, এটা শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি তৈরি করছে। কারণ, বিদ্যমান আইন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছে।

