
পারিবারিক আর্থিক পরিস্থিতির সার্বিক চিত্রটাই বলে দেয় যে, কানাডিয়ানদের সাধারণত উন্মাতাল শুল্ক, দুর্বল কর্মবাজার, মূল্যস্ফীতি এবং অন্যান্য মন্দা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। কিন্তু আরও গভীরে গেলেই কানাডিয়ানদের ভয়াবহ ঋণ সংকটের বিষয়টি বোঝা যাবে।
গোইজি লিমিটেডের সাম্প্রতিক সংকটেই এ সমস্যার একটি ইঙ্গিত রয়েছে। কোম্পানিটি ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলা ঋণ অবলোপন করার ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানটি বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়েছে। সেই সঙ্গে তাদের শেয়ারের মূল্যও কমেছে।
ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ট্রান্সইউনিয়ন ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকের সার্বিক খেলাপি ঋণ আগের বছরের একই বছরের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানানোর পরও এই সদস্যায় পড়েছে কোম্পানিটি।
বহু মানুষের বিশেষ করে বাড়ির মালিকদের বৃহত্তর প্রবণতারই অংশ এটি। কারণ, আগে থেকেই সংকটে থাকা ব্যক্তিদের আর্থিক চাপ আরও খারাপ হয়েছে।
ইকুইফ্যাক্স কানাডার অ্যাডবান্সড অ্যানালাইটিকসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা ওকস বলেন, সত্যিকার অর্থে যা ঘটছে তাকে চাপা দেওয়ার জন্য উচ্চ সংখ্যাও যথেষ্ট নয়। আমরা কে-শেপড পুনরুদ্ধার নিয়ে কথা বলছি।
ক্রেডিট কানাডার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রুস সেলারি বলেন, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে উচ্চ বেকারত্ব চাপ তৈরি করেছে। কিন্তু বহু মানুষ জীবনযাত্রার পুঞ্জিভূত ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পিছিয়ে পড়ছেন। পরস্পরবিরোধী যে বিষয় তা হচ্ছে, বহু মানুষ ভালো আছে এবং পৃথিবী ভালোই চলছে। কিন্তু বুহ মানুষ আছে, যারা খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন।
অলাভজনক ক্রেডিট পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে গত বছর অনুরোধ বেড়েছিল ৩১ শতাংশ। পরামর্শ চাওয়াদের মধ্যে এমন মানুষও ছিলেন, যাদেরকে চাকরি হারানো, স্বাস্থ্য সমস্যা বা বিবাহ বিচ্ছেদের মতো আকস্মিক আর্থিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয়নি। তারা পরামর্শ চেয়েছিলন শুধুমাত্র জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে।

