
ফ্লেমিং কলেজ ও সেন্ট লরেন্স কলেজ একীভূতকরণের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অন্ধকারে রাখা হয়েছে কলেজ দুটির ফ্যাকাল্টি ও সহায়ক কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নকে। পোস্ট সেকেন্ডারি শিক্ষায় সঠিক বিনিয়োগে প্রদেশের ব্যর্থতার ফল এটা।
ফ্লেমিং কলেজ সহায়ক কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী ওপিএসইইউ লোকাল ৩৫১ এর একজন মুখপাত্র বলেন, একীভবনের ব্যাপারে উভয় কলেজের ইউনিয়নকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্কিত প্রশ্নও পাশ কাটিয়ে গেছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কলেজের প্রেসিডেন্টরা।
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক মন্ত্রী পল ক্লান্দ্রার মুখপাত্র বলেন, ওপিএসইইউকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং শিক্ষার যে দায়িত্ব তা আরও ভালোভাবে পূরণের লক্ষ্যে স্বাধীনভাবে কলেজগুলো একীভবনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফ্লেমিং কলেজ এবং সেন্ট লরেন্স কলেজ গত শুক্রবার একীভবনের ঘোষণা দেয়। তারা বলে, এই একীভবন শিক্ষাপ্রাপ্তি সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক শ্রমবাজারের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রোগাম চালু এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়ক হবে।
কলেজগুলো বলেছে, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একক ব্যবস্থাপনা দলের অধীনে পরিচালিত হবে। প্রোগ্রাম, ক্যাম্পাস, সেবা, শিক্ষার্থীদের সহায়তা অথবা স্থানীয় ব্র্যান্ডে কোনো পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।
ফ্লেমিং কলেজের ক্যাম্পাস রয়েছে পিটারবোরো, লিন্ডসে, কোবোর্গ এবং হ্যালিবার্টনে। অন্যদিকে সেন্ট লরেন্স কলেজের ক্যাম্পাস রয়েছে কিংস্টন, ব্রকভিল ও কর্নওয়ালে।
একজন অভিভাবক বলেন, ইউনিয়ন এই বলে সতর্ক করছে যে, কলেজ বন্ধ ও একীভবনের কারণ বছরের পর বছর ধরে অপ্রতুল তহবিল বরাদ্দ।
কলেজগুলো বলেছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ব্যাপকভাবে কমানোর ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপের ফলে ২০২৭-২৮ সালে রাজস্ব কমবে ৪২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে তারা ১৪০ কোটি ডলার ব্যয় সাশ্রয় করেছে। অর্থ সাশ্রয়ের প্রয়োজনে তারা ৬০০ এর বেশি প্রোগ্রাম স্থগিত এবং ৮ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

