
পাচার করা কোকেনে যে ফেন্টানিল মেশানো ছিল জর্ডান কোলি হয়তো তা জানতেন না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তিনি মাদকটি পাচার করেছেন।
একজন বিচারক বলেছেন, তিন বছর আগে ড্যানিয়েল গেইলের কাছে তিনি যে কোকেন বিক্রি করেন তা যে বিষাক্ত এবং গেইল ও তার স্ত্রী ক্রিস্টিনা বেস্টওয়ার্ডের ক্ষতি করতে পারে সেই ঝুঁকি সম্পর্কে কোলির জানার ও বোঝা উচিত ছিল।
সুপিরিয়র কোর্টের বিচারপতি মার্ক গার্সন ৩৫ বছর বয়সী কোলিকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া রায়ে বলেছেন, কোকেনটি ফেন্টানিল মিশ্রিত কিনা কোলির তা জান না জানায় কিছু আসে যায় না। কোকেন, ফেন্টানিল এবং এই দুইয়ে মিশ্রণ শারীরিক ক্ষতির দৃশ্যমাণ ঝুঁকি তৈরি করে।
মাদকের কারণে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা লন্ডনের আদালতে এটাই প্রথম। সারা দেশের পুলিশ বাহিনী এক দশক ধরে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মানবহত্যার অভিযোগ দায়ের করে আসলেও গারসনের সিদ্ধান্তই প্রথম, যেখানে ওভারডোজের কারণে লন্ডনভিত্তিক মানবহত্যার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত কেউ দোষী সাব্যস্ত হলো।
গেইলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে থাকা ওয়েট স্ট্রিটের বাড়ির শয়নকক্ষে ২০২৩ সালের ১২ মে ৪১ বছর বয়সী বেস্টওয়ার্ডকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গেইল নিজেও ওভারডোজড হয়ে পড়েন এবং তাকে লিভিং রুম থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তিনি বেঁচে যান। আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে ৩৯ বছর বয়সী গেইল বলেন, তিনি কোকেনে আসক্ত ছিলেন এবং যে দুজন ডিলারের কাছ থেকে তিনি কোকেন সংগ্রহ করতেন কোলি তাদের একজন। বেস্টওয়ার্ডের মৃত্যুর পর থেকে মাদক থেকে ফিরে এসে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন।

