
হাম্বার পলিটেকনিক তাদের কর্মীদের স্বেচ্ছায় প্রস্থান প্যাকেজের প্রস্তাব দিচ্ছে। ব্যাপক আর্থিক চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একইসঙ্গে তারা এই বলে সতর্ক করেছে যে, শিক্ষার্থীভর্তি অস্বাভাবিক কমে গেলে আরও অনেককে ছাঁটাই হতে হবে।
কর্মীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে হাম্বারের প্রেসিডেন্ট অ্যান মেরি ভন বলেন, কলেজনটি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য আরও মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন।
বছরের পর বছর ধরে টিউশন ফি অবরুদ্ধ রাখা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীভর্তি কমে যাওয়া এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষায় বছরের পর বছর ধরে তহবিল সংকটের কারণে অন্টারিওর পোস্ট সেকেন্ডারি খাত যখন ধুঁকছে তখনই এই পদক্ষেপ।
কার্যক্রম চালু রাখতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অন্টারিওর কলেজগুলো ১৪০ কোটি ডলার খরচ কমিয়েছে। সেই সঙ্গে ৬০০ এর বেশি প্রোগ্রাম স্থগিত এবং ৮ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে। অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, আমি তাদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। এটাকে ব্যবসার মতো করে পরিচালনা করুন।
প্রদেশ তার অংশ হিসেবে সাত বছর ধরে চলা টিউশন ফি অবরুদ্ধ তুলে নিয়েছে এবং বড় অঙ্কের তহবিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভয়াবহ আর্থিক সংকটের কথা স্বীকার করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।
পোস্ট সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীভর্তির সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও বছরের পর বছর ধরে তহবিল সংকট বাজেটকে অব্যাহতভাবে সংকুচিত করছে। ২০১৯ সালে টিউশন ফি ১০ শতাংশ কমানোর ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি টিউশন ফি পরিশোধ করে থাকেন।

