
কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে ভ্রমণকারীদের প্রবেশে বিশ্বাসযোগ্য যে কর্মসূচি আছে তা বাতিল না করতে অটোয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রান্তিক কমিউনিটিগুলোর বাসিন্দারা। কর্মসূচিটির আওতায় সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণকারীদের পূর্বানুমোদন দেওয়া হয়। এর ফলে কাস্টমস চেকপয়েন্টে না গিয়েই অন্টারিও এবং ম্যানিটোবায় ভ্রমণ করা যায়।
মিনেসোটার নর্থওয়েস্ট অ্যাঙ্গেলের অ্যাঙেল আউটপোস্ট রিসোর্ট এবং রেড ফক্স আইস ফিশিংয়ের কর্ণধার জেসন গোলেট বলেন, স্কুলে যান, গ্রোসারি শপিংয়ে যান, চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে যান, অ্যাকাউন্ট্যান্টের সঙ্গে দেখা করতে যানÑআপনি কোথায় যাচ্ছেন সেটা কোনো ব্যাপার নয়। ঘন ঘন আপনি ভ্রমণ করতে পারছেন। আমাদের ১০ সদস্যের পরিবার। তাদের কেউ না কেউ প্রতিদিনই ভ্রমণ করেন। সুতরাং, আমাদের জন্য সিদ্ধান্তটির মূল্য অনেক।
কানাডিয়ান এবং আমেরিকান বাসিন্দারা বর্তমানে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির রিমোট এরিয়া বর্ডার ক্রসিং (আরএবিসি) কর্মসূচির মাধ্যমে পূর্বানুমোদন পেয়ে থাকেন। ব্র্যাকগ্রাউন্ড ও নিরাপত্তা পরীক্ষা এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। অনুমোদন হলে ভ্রমণকারীরা একটি বার্ষিক পারমিট লাভ করেন, যা তাদেরকে কানাডা বর্ডার সার্ভিসে এজেন্সির কর্মকর্তাদের সামনে হাজির হওয়া তল্লাশির মুখোমুখি হওয়া ছাড়াই কানাডার পাঁচটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণের সুযোগ দেয়।
সংস্থাটি বলছে, প্রতি প্রায় ১১ হাজার পারমিট দেওয়া হয়। তাদের ৯০ শতাংশ আমেরিকান নাগরিক।
এই কর্মসূচির আওতায় অন্টারিওর প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে ককবার্ন ও মিশিগান সীমান্তে সল্ট মেরির আপার লক ব্যবস্থা, পিজন রিভার থেকে লেক অব দ্য উডস পর্যন্ত জলপথ এবং লেক সুপিরিয়রের কানাডিয়ান শোর। এ ছাড়াও নর্থওয়েস্ট অ্যাঙ্গেল, যেটা আলাস্কার বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র অঞ্চল। এর তিনদিকে রয়েছে কানাডা এবং মিনেসোটার বাকি অংশের সঙ্গে কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে বাসিন্দা ও পর্যটকরা বোট অথবা আইস রোড ধরে সেখানে যেতে পারেন। তবে সেখানে যাওয়ার একমাত্র পথ ম্যানিটোবা।

