
স্থানীয় পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর উত্তর অন্টারিওর ফার্স্ট নেশন কমিউনিটির মাত্র কয়েক শ মানুষ সেখানে থেকে গেছেন। কারণ, বহু মানুষকে তাদের ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছে।
ফার্স্ট নেশনের নির্বাহী পরিচালক টাইসন ওয়েসলি বলেন, ২ হাজার ২০০ মানুষের এই কমিউনিটির প্রায় ৪০০ মানুষ রোববারের মতো বাড়ি-ঘর ছেড়ে যাবেন।
অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জনস্বাস্থ্য ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার পর ৪ জানুয়ারি জেমস বের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত কমিউনিটির কর্মকর্তারা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। কারণ, বর্জ্য লোকজনের বাড়িতে ঢুকে পড়ছে এবং খাবার পানির যে ব্যবস্থা তাতে মিশছে।
শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ওয়েসলি বলেন, আজ চারটি উড়োজাহাজ ছেড়ে যাবে বলে আমি মনে করছি। এবং আমরা দৈনিক পাঁচ থেকে ছয়টি উড়োজাহাজ পাচ্ছি। আমাদের বর্জ্য অবকাঠামোয় সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ওয়েসলি বলেন, কমিউনিটির একমাত্র ক্লিনিকটিতে বর্জ্য ঢুকে পড়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ক্লিনিকটি পরিচালনা করা এখন আর নিরাপদ নয় এবং আমাদের অস্থায়ী ক্লিনিক তৈরি করতে হয়েছে। একইসঙ্গে আমরা কমিউনিটি থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিচ্ছি। গত কয়েক সপ্তাহে বহু মানুষ অসুস্থ হয়েছেন এবং আটজনের শরীরে পরজীবী সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
ওয়েসলি আরও বলেন, কমিউনিটিতে বহু মানুষের পাকস্থলির সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং কী ঘটছে তা দেখতে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাদেরকে আমরা পরীক্ষা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছি। পয়ো নমুনা ফেরত এসেছে এবং আমি মনে করি আটজন ব্যক্তি ক্রিপ্টোসপোরিডিয়ামে আক্রান্ত হয়েছেন। আরও পরীক্ষার ফলাফল শিগগিই আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা সংক্রমণের কারণ শনাক্তে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
আমরা পানি, পানি পরিধোন প্ল্যান্টের বাড়তি পরীক্ষা করছি। বিশেষ এই পরীক্ষাটি আমরা করছি এই সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি জানতে। আগামী সপ্তাহে আমরা এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে পারব।

