
হিসেবে দেখছে অন্তত তিন-চতুর্থাংশ কানাডিয়ান
বিল সি-১৪ এ যে পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে লিবারেল সরকার তার মধ্যে কিছু পরিবর্তনকে ইতিবাচক
হিসেবে দেখছে অন্তত তিন-চতুর্থাংশ কানাডিয়ান। এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন পেলে যে আবার অপরাধ করবেন না তার প্রমাণ দেওয়ার আওতায় সম্প্রসারণ। এর মাধ্যমে বিচারের অপেক্ষায় থাকা অভিযুক্তকে জামিন পাওয়ার অধিকারের পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য যুক্তি দেখাতে হবে। এ ছাড়া একাধিক অপরাধে উপর্যুপরি শাস্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের যৌন অপরাধে শর্তসাপেক্ষ সাজা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সর্বোপরি খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ চুরির শাস্তি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে বিলে।
এসব পরিবর্তন অপরাধের পরিমাণ লক্ষণীয়ভাবে কমাতে সাহায্য করবে কিনা এই প্রশ্নে আবার বিভিন্ন ধরনের মত দিয়েছেন এই উত্তরদাতার। তবে এগুলো অপরাধ কিছুটা হলেও যে কমাতে ভূমিকা রাখবে সেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন সিংহভাগ উত্তরদাতা।
অপরাধের পেছনে সবচেয়ে বড় চালক কী? এই প্রশ্নে ৬২ শতাংশের উত্তর হচ্ছে, মাদকাসক্তি, দারিদ্র ও মানসিক অসুস্থতা। এই ৬২ শতাংশই মনে করেন, অপরাধ বাড়ছে। তবে তিন-চতুর্থাংশ অর্থাৎ ৭৩ শতাংশ বিচার ব্যবস্থার নমনীয়তা অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন। সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা ও সামাজিক বিভিন্ন কারণকে বিবেচনায় নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রতি পাঁচজনের মধ্যে দুইজন কানাডিয়ান। সিংহভাগের মত হচ্ছে, এসব নীতি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয়াবলী সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারে।
সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে, প্রাদেশিক ফৌজদারি আদালতের ওপর আস্থা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনি¤েœ নেমে এসেছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মাত্র ৩৪ শতাংশের প্রাদেশিক আদালতের ওপর আস্থা রয়েছে। ২০১৬ সালে যেখানে প্রাদেশিক আদালতের ওপর আস্থাবান ছিলেন ৪৪ শতাংশ কানাডিয়ান।
সমীক্ষা অনুযায়ী, রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) ওপর আস্থা রেখেছেন ৫১ শতাংশ কানাডিয়ান। গত বছরের সমীক্ষায় ৫০ শতাংশ কানাডিয়ান আরসিএমপির প্রতি আস্থা প্রদর্শণ করেছিলেন।
অ্যাঙ্গাস রিড ২০২৫ সালের ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ২ হাজার ৩৮ জন কানাডিয়ানের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করে।

