
কর্মীরা অফিসে ফেরায় কানাডার আবাসন বাজারে অবশেষে প্রাণ ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কন্ডো বাজারের সমস্যা এখনো রয়েই গেছে। এমনটাই বলছেন একজন আবাসন খাত বিশেষজ্ঞ।
কলিয়ার্স কানাডার প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রায়ান রোজেন বলেন, বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অফিসের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। এদিক থেকে গত আট বা নয় প্রান্তিকের মধ্যে চতুর্থ প্রান্তিকটি ছিল সবচেয়ে ভালো।
প্রাদেশিক সরকার কর্মীদের সপ্তাহে পাঁচদিন অফিসে ফেরার আদেশ দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে হাইব্রিড মডেলের অবসান হয়েছে, যা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চলছিল।
কমার্শিয়াল রিয়েল এস্টেট সার্ভিসেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সাল শেষে অফিস খালি থাকার হার ছিল ১৮ শতাংশ। এক বছর আগে যেখানে হারটি ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।
রোজেন বলেন, ডাউনটাউন টরন্টোতে খালি থাকার হার প্রায় ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অফিস খালি থাকার হার কমতে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সেই সঙ্গে আরও বেশি সংখ্যক কর্মী অফিসে ফিরবেন।
রোজেন বলেন, এই মুহূর্তে কন্ডো বাজারের পরিস্থিতি বেশ জটিল। আমরা তলানিতে চলে যাওয়ার সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
কন্ডো মার্কেটের স্থবিরতার জন্য ফেডারেল অভিবাসন নীতিকে দায়ী করেন রোজেন। কানাডার বেকারত্বের হার কমাতে, আবাসন প্রাপ্যতা সমস্যার সমাধান করতে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি সেবার ওপর থেকে চাপ কমাতে ২০২৪ সালের শেষ দিকে অভিবাসন নীতি আটোসাটো করে আনে সরকার।
রোজেন বলেন, সব ধরনের নন-পারমানেন্ট বাসিন্দার সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। অভিবাসনে এটা আমরা দেখেছি এবং এটাই চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে।
গ্রেটার ভ্যানকুভার এরিয়ায় কন্ডোর দাম পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।

