
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনস্থাপনের যে উদ্যোগ কানাডা নিয়েছে তাতে সাবধানতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকরা। ম্যাকডোনাল্ড-লরিয়েল ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো এবং কানাডার সাবেক কূটনীতিক অ্যালান কেসেল টরন্টো সানকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অনির্ভরযোগ্য ও অবন্ধুসুলভ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে আবির্ভুত হওয়ায় পূর্ব দিকে তাকানো কানাডার জন্য স্বাভাবিক। তবে এর সঙ্গে ঝুঁকিও রয়েছে।
তিনি বলেন, এখানে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। সম্পৃক্ততা অন্ধভাবে হতে পারে না। চীনের সুবিধার সঙ্গে সব সময় কাটাও থাকে। আফ্রিকার সঙ্গে চীনের সম্পর্কই তার প্রমাণ। অনেকেই একে বলে থাকে নিপীড়নমূলক এবং কোয়াসি-কলোনিয়াল। যদিও এই অঞ্চলে একে বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বেইজিং বন্ধুত্ব কেনে না।
সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে, অ্যাপেক সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্ম কার্নির বৈঠকের মধ্য দিয়ে। ভবিষ্যতে বেইজিং সফরের সরকারি আমন্ত্রণ কার্নি গ্রহণ করেছেন।
চীনের সঙ্গে কানাডার কূটনীতি স্বাভাবিকভাবেই তাইওয়ানের সঙ্গে আমাদের দেশের সম্পর্ককে প্রশ্নের মুখে ফেলে তেবে। তাইওয়ানকে কানাডা সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। বেইজিংয়ের ‘এক চীন’ নীতির প্রতি কানাডার মান্যতার কারণেই এই স্বীকৃতি দেয়নি তারা। কমিউনিস্ট দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে এটা একটি শর্ত।
কেসেল বলেন, কানাডা যদি তার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে চায় তাহলে তাইওয়ানকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। কারণ, রাষ্ট্র হওয়ার জন্য যে মানদ- প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি আছে তাইওয়ানের। এক্ষেত্রে তিনি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

