
সার্জিও মার্চির ভাষায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বিষয়ে কোর্স পড়ানোর সময় তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাদের মধ্যে কতজন রাজনীতিকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে চায়। তাদের মধ্যে একজন বা দুইজন হাত তুললে তিনি অবাক হতেন।
১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মার্চি। পরে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি বলেন, আমি ভীত যে, ক্রমেই বেশ সংখ্যক তরুণ রাজনীতিতে অনীহ হয়ে পড়ছেন। পাবলিক লাইফ থেকে বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে আপনি বাদ দিতে পারেন না। রাজনীতিবিদ হওয়াতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু আমাদের রাজনীতিকদের কেবলমাত্র রাজনীতিক হতে দিতে পারি না আমরা। আমাদের প্রয়োজন তরুণদের শক্তি ও চেতনা।
মার্চি পারসুয়িং আ পাবলিক লাইফ নামে একটি বই লিখেছেন এবং সেখানে তিনি রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি যেসব তরুণ ফেডারেল রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক তাদের জন্য একটি পথরেখা দিয়েছেন।
মার্চি বলেন, তরুণদের রাজনীতি এড়িয়ে চলা বৈশ্বিক প্রবণতা। তিনি তার ক্লাসে দেখেছেন, তরুণরা কূটনীতি বা উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে ‘বৈশি^ক ভালো’র জন্য কাজ করতে বেশি আগ্রহী। আমার মনে হয় অনেকেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা তা থাকার কারণে শঙ্কিত। পাশাপাশি রাজনীতিতে যে তিক্ততা তা নিয়ে ভাবিত কেউ কেউ। বাকিরা রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে চান। তবে কোথা থেকে শুরু করবেন তা জানেন না।
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদেরই কাজটা শুরু করতে হবে বলে আমি মনে করি। তাদেরকে বুঝতে হবে যে, রাজনীতি অনেক বেশি বিষাক্ত হয়ে উঠছে এবং সবকিছুই কেলেঙ্কারিতে পরিণত হয়েছে। রাজনীতিকরা যদি তাদের সুর এবং রাজনৈতিক বিষয়বস্তু যদি উন্নত না করেন তাহলে আমরা সমস্যার মধ্যে পড়ে যাব।
কানাডার রাজনীতিতে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে কার্লটন ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব অটোয়ার শিক্ষাবিদরা ২০২৪ সালে একটি গবেষণা করেন। তিাতে বলা হয়, বিশ^ব্যাপীই সংসদগুলোতে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব কম।

