
বিশ্বকাপ চলাকালে সেবা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য চুক্তির জন্য আলোচনারত একটি ইউনিয়নকে নো-বোর্ড রিপোর্ট (ধর্মঘটের চূড়ান্ত কাউন্টডাউন) না করার অনুরোধ জানিয়েছে টিটিসি। টরন্টোতে বিশ্নকাপ অনুষ্ঠানে বাকি আছে দুই মাসেরও কম।
গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রায় ৭০০ কমিউনিকেশন, ইলেক্ট্রিক্যাল ও সিগন্যাল কর্মীর প্রতিনিধিত্ব করে সিইউপিই লোকাল ২। এ মাসের গোড়ার দিকে ইউনিয়নটি ধর্মঘটের পক্ষে সর্বসম্মত ভোট দেয়।
টিটিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মানদীপ লালি ইউনিয়নের ভোটাভুটির পর বলেন, তার আশা নো-বোর্ড রিপোর্ট অর্থপূর্ণ এবং সরল বিশ্বাসের দর-কষাকষিকে উৎসাহিত করবে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে লালি বলেন, টরন্টো যেহেতু ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তাই সিটি এবং এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষকে বাধাহীন সেবাদান নিশ্চিত করার সম্ভাব্য সব কিছু করার ব্যাপারে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেবাটির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল মানুষের পাশাপাশি মর্যাদাপূর্ণ এই অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য আগত প্রত্যেকের জন্যই নির্বিঘ্ন সেবা সরবরাহের ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নো-বোর্ড রিপোর্ট না করার অনুরোধ ১২ জুন টরন্টোতে আসর উদ্বোধনের আগেই একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কাঠামাগত ভিত্তি তৈরি করে দেবে।
টিটিসির তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য শ্রম বিঘ্ন হওয়ার সময় ছিল শ্রম মন্ত্রণালয় নো-বোর্ড রিপোর্ট ইস্যু করার ১৭ দিন পর।
টরন্টোতে যে ছয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে তার প্রথমটিউ হবে ১২ জুন টরন্টো স্টেডিয়ামে। লালি বলেন, শ্রম অসন্তোষ যদি হয়ই তাহলে টিটিসির শক্তিশালী আপৎকালীন পরিকল্পনা রয়েছে। ধর্মঘটের পক্ষে ভোট বা নো-বোর্ড রিপোর্টের জন্য আবেদন কোনো কিছুই টিটিসির সেবার ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।
ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের মধ্যে দর-কষাকষি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষ হয়েছে। মজুরি ও নিয়োগদাতার কনেসেশন ডিমান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অমীমাংসীতই রয়ে গেছে।

