
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কনটেন্টের স্পষ্টভাবে লেবেল বা সিলমোহর থাকা উচিত বলে হাউজ অব কমন্সের এবটি কমিটি এরকম অভিমত ব্যক্ত করেছেন। কমিটির সদস্য এমপিরা এআই কনটেন্টের জন্য একটি আদর্শ লেবেলের আহ্বান জানিয়েছেন, যা হবে দৃশ্যমান এবং জনগণ বুঝতে পারবে। তারা বলেন, সংশ্লিষ্ট সব খাতেই এই শর্ত প্রয়োগ করা উচিত। ডিজিটাল প্ল্যাটফরম ও ব্রডকাস্টাররাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এমপি এই প্রতিবেদককে জানান, এটা স্বচ্ছতাকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি জনআস্থা ধরে রাখবে। সেই সঙ্গে কানাডার তথ্য ও সাংস্কৃতিক ইকোসিস্টেমের অখ-তা রক্ষা করবে।
অভিমতে সরকারের প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিয়ে তৈরি কনটেন্টের একটি পদ্ধতিগত ও সহজে শনাক্তকরণযোগ্য লেবেল দিতে একটি কর্মকাঠামো তৈরির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। মেটাডাটা, ডিজিটাল ওয়াটারমার্কস অথবা অন্যান্য শক্তিশালী কারিগরি সমাধানের মাধ্যমে তৈরি কনটেন্টও এর আওতার মধ্যে পড়বে।
কমিটি এই সপ্তাহে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে, তাতে যে ১৩ দফা সুপারিশ করা হয়েছে এআই লেবেলিং তার মধ্যে অন্যতম। সাংস্কৃতিক খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে গবেষণার পর এই সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটি যেসব সাক্ষ্য শুনেছে তার মধ্যে অধিকাংশই সৃষ্টিশীল খাতকে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকাকে হুমকির মুখে ফেলছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
কমিটি বলেছে, এআই তৈরি কনটেন্টের ক্ষেত্রে কপিরাইট আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত সরকারের। একই সঙ্গে এআই ডেভেলপাররা যাতে তাদের মডেলের প্রশিক্ষণে কপিরাইটকৃত কাজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছ হয় সেটাও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

