
বয়ঃসন্ধিকাল ও তরুণ বয়সে যারা ক্যানসার থেকে সরে উঠেছেন তাদের আরও সহায়তা ও স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজন বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। কারণ, পরবর্তী জীবনে তাদের আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরি ও ক্যানসার কেয়ার আলবার্টার ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ এবং গবেষণার জেষ্ঠ লেখক মিরান্ডা ফিডলার-বেনোদিয়া বলেন, গবেষণায় আলবার্টায় যাদের ১৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সে ক্যানসার ধরা পড়েছিল তাদের মধ্যে নতুন ক্যানসার সৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এটা তাদের মূল ক্যানসার আবারও ফিরিয়ে আসার বিষয় নয়।
সোমবার কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্যদের তুলনায় তাদের আরেকটি ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে, প্রথম ক্যানসারের চিকিৎসা।
ফিডলার-বেনোদিয়া বলেন, নিরাময় এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসম্পন্ন জীবনের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রয়েছে। রেডিয়েশন হচ্ছে ক্যানসারের স্বীকৃত কারণ। মূল ক্যানসারের চিকিৎসায় রেডিয়েশন অপরিহার্য হলেও একইসঙ্গে এটি আরও একটি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এর কারণ হচ্ছে শরীরের ওই অংশটি বিকিরণের শিকার হয়। একইভাবে অন্য গবেষণায়ও দেখা গেছে যে, ক্যানসার নিরাময়ে দেওয়া কেমোথেরাপি ও কিছু হরমোন থেরাপিও পরবর্তী জীবনে আবারও ক্যানসারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ফিডলার-বেনোদিয়া বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসা উন্নত হচ্ছে। তাই আশা করা হচ্ছে যে, এটা অতোটা কারসিনোজেনিক হবে না। অতীতের চিকিৎসাই পরবর্তী ক্যানসারের একমাত্র কারণ নয়, জিনও এখানে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে।
গবেষণায় আলবার্টা ক্যানসার রেজিস্ট্রিতে নিবন্ধিত রোগী যাদের ১৯৮৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ক্যানসার শনাক্ত হয়েছিল তাদের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

