
নানা বির্তক আর সমালোচনা সত্ত্বেও যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যাপারে আরও ছাড় দিয়ে ভ্রমণ বিধি চালুর চেষ্টা করেছিল ফেডারেল সরকার। কানাডার পরিবহন সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এটা সাফল্যেও মুখ দেখেনি।
২০২৩ সালে যাত্রী অধিকার চার্টারে সংশোধনির জন্য আইন আনার পর কানাডিয়ান ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি একটি নীতিমালা প্রস্তাব করে, যেখানে ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বের জন্য গ্রাকদের ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার কারণ হিসেবে কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি বাতিল করে দেওয়া হয়।
কিন্তু অন্তত দুইজন পরিবহনমন্ত্রীর চাপের মুখে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষগুলো এতে পরিবর্তন আনতে রাজি হয়, যা যান্ত্রিক কারণে ভ্রমণ বিঘিœত হলে এয়ারলাইন্সগুলো ক্ষতিপূরণ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবে। সাবেক পরিবহনমন্ত্রী অনীতা আনান্দের জন্য প্রস্তুত করা বিফ্রিং নোটে এমনটাই বলা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর অনীতা আনান্দ ও ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির চেয়ার ফ্রান্স পিজিওর মধ্যে বৈঠকের আগে এক নোটে বলা হয়েছে, মূলত যান্ত্রিক ত্রুটি ও শ্রম অসন্তোষের মতো ব্যতিক্রমী পরিবেশের তালিকা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো আপনারা নতুন করে তোলায় আমি হতাশ। এসব সমস্যা কয়েক মাস আগেই সমাধান হয়ে গেছে। একটি বিষয়ে আমি পরিস্কার করতে চাই এবং তা হলো আমার পূর্বসূরীর সঙ্গে যে অঙ্গীকার এবং চুক্তিতে আপনারা উপনীত হয়েছিলেন তাতে আপনারা অটল থাকবেন বলে আমি আশা করব।
পরের মাসে সংস্থাটির খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করে সরকার, যাতে কারিগরি ত্রুটির কারণে ক্ষতিপূরণের বিধানকে বাতিল করা হয়।
পর্যবেক্ষকদেও অনেকেই মনে করেন, এয়ারলাইন্সগুলোকে সবসময় সরকার ছাড় দিয়েছে। সকল নীতিমালায় যাত্রীদের চাইতে অপারেটর কোম্পানীকে বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

