
বর্ণিল আয়োজন এবং আনন্দঘন পৱিবেশেৱ মধ্য দিয়ে কানাডার টরেন্টোতে এসোসিয়েশন অফ টরন্টো-ইনক কানাডার স্বাধীনতা দিবস এবং ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯মার্চ টরন্টোর ডেনফোর্থ মদীনা গ্রীল এন্ড ৱেষটুৱেনট স্বাধীনতা দিবস এবং ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিৱ বক্তব্য ৱাখেন স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনের সদ্য ছেড়ে আসা এমপিপি ও স্কারবোরো থেকে লিবাৱেল পার্টির এমপি প্রার্থী বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ডলি বেগম,বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এমপিপি প্রার্থী আহসানুল হাফিজ ও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এমপিপি প্রার্থী মাহমুদা নাসরিন।
এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা আলম মোড়ল এৱ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টোর সভাপতি ইউসুফ এএনএম চৌধুরী, চীফ কো অর্ডিনেটৱ জাকির হোসেন খান, পরিচালক মোজাহিদুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সাঈদ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, সাইকলাইন জায়গীরদার, বেলায়েত চৌধুরী রিপন, সাইদুন ফয়সল, এমডি এম হোসেন মনজু, মাসুক চৌধুৱী, সরিফ আলী, কুতুব উদ্দিন, কবিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম লিটন, জালাল হাওলাদার, ফয়জুল করিম, ডক্টর স্বপন,হিমু মোস্তফা, আবদুল বাতিন ফয়সাল,ৱেমন ইসলাম. মো শহিদুৱ ৱহমান,সবুজ মাশ্রাফী প্রমুখ। সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রহমান লিটন এৱ পৱিচালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কোষাধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনের সদ্য ছেড়ে আসা এমপিপি ও স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে লিবাৱেল পার্টির এমপি প্রার্থী বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ডলি বেগম বলেছেন, বাংলাদেশেৱ বিভিন্ন জাতীয় দিবস ঈদ পূর্ণমিলনী সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানেৱ মধ্য দিয়ে আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মেৱ কাছে তুলে ধৱতে হবে তাহলে তাৱা দেশের প্রতি আকৃষ্ট হবে প্রবাস জীবন সার্থক হবে। তিনি বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ পেতে হলে জাতিকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে শিক্ষাখাতে গুরুত্ব দিয়ে প্রবাসীৱা এগিয়ে আসতে হবে।দেশের মানুষকে শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশে বিদেশে আমাদের গুরুত্ব বাড়বে প্রবাস জীবন সার্থক হবে। তিনি বলেন দেশের ন্যায় প্রবাসের মাটিতেও আমরা চেষ্টা করছি, নেতৃত্ব উপহাৱ দেয়ার এরজন্য সবার সহযোগিতা কামনা কৱেন।
এসময় প্রবাসী কমি়উনিটি নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাঙালি জাতি সব সময় ঐক্যবদ্ধ, আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের কারণে প্রবাসের মাটিতে বসেও আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছি। কানাডার মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি এমপি হিসেবে ডলিকে নির্বাচিত করার পাশাপাশি মন্ত্রী পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত কৱে বলেন, ডলি জিতলে শুধু একজন প্রার্থী জয়ী হন না, জিতে যায় আমাদের স্বপ্ন, আমাদের পরিচয়, আমাদের পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটি। আমাদেৱ এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে শত ব্যস্ততার মধ্যেও সবাইকে যথাসময় ভোট প্রদান করার আহবান জানান। বক্তারা আমাদের গর্ব বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এমপিপি প্রার্থী আহসানুল হাফিজ ও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এমপিপি প্রার্থী মাহমুদা নাসরিনকে ভোট প্রদানের পাশাপাশি তাদের বিজয়ী কৱতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

