
শিশু দারিদ্র্যের অবসান নিয়ে প্রচারণা চালানো একটি সংগঠন বলেছে, বিল পরিশোধে এবং খাদ্য কিনতে হিমশিম খাওয়া পরিবারে বসবাসকারী শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ক্যাম্পেইন ২০০০ এর ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে আরও ৩০ হাজার শিশু দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। জাতীয়ভাবে প্রাপ্ত এটাই সর্বশেষ উপাত্ত।
এর অর্থ হচ্ছে শিশু দারিদ্র্যের সংখ্যা টানা তৃতীয় বছরের মতো বেড়েছে। প্রবণতাটিতে পরির্বতন আনার উদ্যোগ যে কাজ করছে না এই উপাত্ত সেটাই প্রমাণ করছে বলে জানান বিষয়টি নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে দারিদ্র্যের বসবাসকারী শিশুর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছিল সিঙ্গেল প্যারেন্ট পরিবারগুলো। পরিবারের আয়ের উপাত্ত অনুযায়ী, শিশু দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সিঙ্গেল প্যারেন্ট পরিবারে শিশু দারিদ্র্যের হার ৪৫ শতাংশ। কাপল পরিবারে যেখানে এ হার ১০ দশমিক ১ শতাংশ।
সংগঠনটি বলেছে, ২০২০ সাল থেকে শিশু দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। ওই সময় সরকারের মহামারি সহায়তা শিশু দারিদ্র্যের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছিল। কর-পরবর্তী পারিবারিক আয়ের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মধ্যে শিশু দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি নুনাভাটে। এখানকার প্রায় ৩৯ শতাংশ শিশু দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে। ম্যানিটোবা এবং সাস্কেচুয়ানেও শিশু দারিদ্র্যের হার বেশি। এখানকার প্রায় ২৭ শতাংশ শিশুকে দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করতে হয়।
কানাডায় শিশু দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম ইউকনে ১২ শতাংশ। এর কারণ, অধিকাংশ ইউকনবাসী হোয়াইটহর্সে বসবাস করেন, যেখানকার আয় স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে বেশি এবং চাকরি বাজারও স্থিতিশীল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউকনের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী বিশেষ করে আদিবাসী শিশুদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার আবার বেশি।

