
টরন্টো মিউনিসিপালিটিতে জালিয়াতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ক্ষতি এড়ানোর বেশ কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সিটি অব টরন্টোর ফ্রড অ্যান্ড ওয়েস্ট হটলাইনের ওপর অডিটর জেনারেল তারা অ্যান্ডারসনের কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
হটলাইনের মাধ্যমে ২০২৫ সালে প্রায় ৭০০ অনুযোগ গ্রহণ করা হয়। সবমিলিয়ে অভিযোগ করা হয় এক হাজার ১০০ এর বেশি। গোপন এই হটলাইন সিটি অব টরন্টোর কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে সন্দেহজনক জালিয়াতি, স্বার্থের দ্বন্দ্ব এবং সম্পদের অপচয়ের ব্যাপারে অভিযোগ করার সুযোগ দিয়ে থাকে।
গত বছর যেসব জালিয়াতি উদ্ঘাটিত হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ১৪টি বাড়ির জন্য বিদ্যুৎ চুক্তি সংক্রান্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঠিক অনুমোদন ছাড়াই অ্যাকাউন্ট টরন্টো হাইড্রো থেকে তৃতীয় পক্ষের একটি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছে একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর।
অডিটর জেনারেলের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিষয়টি সঠিক সময়ে ধরা না পড়লে সিটি কর্তৃপক্ষ প্রায় ২৫ লাখ ডলারের ক্ষতির মুখে পড়তে পারত।
সিটি কাউন্সিলর পাউলা ফ্লেচার বলেন, তদন্তগুলো হচ্ছে এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ধরা পড়েছেন। তাদের অনেকের ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে গেছে। ফ্রড অ্যান্ড ওয়েস্ট হটলাইনটি চালু থাকায় আমি খুশি। কারণ, এর মাধ্যমে লোকজন বলতে পারছেন যে, কেউ কেউ ব্যবস্থাটির সঙ্গে প্রতারণা করছে।
অন্য ঘটনাগুলো অতোটা বড় নয়, তবে এর সঙ্গেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জড়িত। একটি ঘটনার ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় একটি চাকরি করার সময় একজন কর্মী তিন সপ্তাহের সবেতন ছুটি নেন। এর ফলে করদাতাদের প্রায় তিন হাজার ডলার ক্ষতির হয়েছে।
দ্বিতীয় আরেকটি ঘটনায় সিটি অব টরন্টোর মেইলরুম থেকে ২০ প্যাকেটের বেশি ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস খোয়া যায়। অন্তত একজন কর্মীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যিনি প্রায় দুই হাজার ৩০০ ডলার মূল্যের সামগ্রী চুরি করেছেন।
ফ্লেচার বলছেন, হটলাইনটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ।

