
মিসিসোগার রিজওয়ে প্লাজা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনেক অভিযোগ। প্লাজাটিতে অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা বলছেন, প্লাজাটিতে নিরাপত্তা জোরদার এবং বড় ধরনের জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাশুল অন্যায়ভাবে তাদেরকে চোকাতে হচ্ছে।
রিজওয়ে প্লাজার মালিক প্রতিষ্ঠান কন্ডোমিনিয়াম কর্পোরেশন গত গ্রীষ্মে আদালত থেকে একটি আদেশ পায়। তাতে ভোগান্তির কারণ হতে পারে এমন কোনো জমায়েত নিষিদ্ধ করতে বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফাইট, স্ট্রিট রেসিং, উচ্চস্বরে গান, অবৈধ আতশজবাজি এবং তিন হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত।
এই আদেশের ফলে কন্ডো কর্পোরেশনকে বাধ্য হয়ে পার্কিং গেট আর্ম স্থাপন করতে হয়েছে। পথচারী ও গাড়ি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা ও বেতনভুক্ত ডিউটি অফিসার নিয়োগ দিতে হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ভোগের কারণ হতে পারে এমন কোনো জমায়েত এড়াতে পার্কিং লটে যেকোনো ধরনের পথচারী বা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করতে হয়েছে। কিছু ভাড়াটিয়ার বলেছেন, এখন তাদেরকে এর ব্যয় নির্বাহ করতে হচ্ছে।
প্লাজাটিতে ভারতীয় রেস্তোরাঁ ব্রার’স পরিচালনা করেন মনজত সিং। তিনি বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এসেছে। পুলিশের সেখানে টানা দুই সপ্তাহ থাকতে হতো বলে আমি মনে করি। আদেশ সংক্রান্ত ব্যয় ও জরিমান প্লাজার মালিক কন্ডোমিনিয়াম কর্পোরেশনের ওপর আরোপিত হলেও শেষ পর্যন্ত ভাড়াটিয়াদেরকেই তা পরিশোধ করতে হচ্ছে।
সিটি নিউজকে তিনি বলেন, সিটি কর্তৃপক্ষ যখন কন্ডোমিনিয়াম জরিমানা করে তখন কন্ডোমিনিয়াম ওই বিল বাড়ির মালিকদের ওপর চাপিয়ে দেয় এবং আমরা আছি এই খাদ্য শৃঙ্খলের একেবারে নিচের দিকে। এই মাত্র তিনি এক লাখ ৭০ হাজার ডলারের একটি বিল পেয়েছেন। বিশেষ মূল্যায়নের নামে কন্ডো কর্পোরেশনের কাছ থেকে এই বিল এসেছে, যা ভাড়াটিয়াদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে সিটি কর্তৃপক্ষের খুবই কমই করার আছে বলে জানান মিসিসোগার ডেপুটি মেয়র ম্যাট মাহোনি। তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস একাধিক জরিমানা করেছে। এটা বিল পরিশোধের দায়িত্ব কন্ডোমিনিয়াম ও বোর্ডের। বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা বেসরকারি কর্পোরেশনের বিল কে পরিশোধ করবে? এটা সিটি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়।

