
গত দুই বছরে অন্টারিওতে বাড়ির দাম ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই অবস্থায় কিছু বিশেষজ্ঞ সম্ভাব্য ক্রেতাদের অপেক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ, ২০২৬ সালে বাড়ির দাম আরও কমতে পারে।
চলতি বছর দেশের বৃহৎ আবাসন বাজারগুলোতে বাড়ির দাম সামান্য বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে কিছু আবাসন প্রতিষ্ঠান। তবে অন্টারিও এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার বেশ কিছু সিটি এই আশাবাদী পূর্বাভাসের তালিকায় নেই।
টরন্টো রিজিয়নাল রিয়েল এস্টেট বোর্ডের উপাত্ত অনুযায়ী, গত বছর গ্রেটার টরন্টো এরিয়াতে (জিটিএ) বাড়ির দাম কমেছে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। জিটিএতে নতুন বাড়ির বিক্রিও ২০২৫ সালে কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন নেমেছে।
অন্টারিওভিত্তিক মর্টগেজ ব্রোকার রন বাটলার সিটিভি নিউজ টরন্টোকে বলেন, একটা বিষয় নিশ্চিত যে, অন্টারিওতে আবাসন বাজারের পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতে যাচ্ছে। ভালো হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
রয়্যাল লাপেজ তাদের ২০২৬ সালের মার্কেট আউটলুক গত ডিসেম্বরে প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে দেশের বৃহৎ আবাসন বাজারগুলোতে বাড়ির দাম বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ভ্যানকুভার এবং টরন্টো অঞ্চলের চিত্রটা অন্ধকারই থাকছে। এটি কানাডার সবচেয়ে ব্যয়বহুল দুটি বাজার। এই দুই বাজারে বাড়ির দাম পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় যথাক্রমে ৩ দশমিক ৫ ও ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বাটলার বলেন, তিনি মনে করেন ২০২৬ সালে পরিস্থিতি আর খারাপ হবে এবং ২০২৭ সালের আগে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরবে না। এর কারণ হিসেবে তিনি বেকারত্ব, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংখ্যা হ্রাস, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এবং আসন্ন মর্টগেজ নবায়নের কথা উল্লেখ করেন।
শুক্রবার প্রকাশিত স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার উপাত্তে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে কানাডায় নতুন চাকরি হয়েছে মাত্র ৮ হাজার ২০০টি, বেকারত্বের হারকে যা ৬ দশমিক ৮ শতাংশে ঠেলে দিয়েছে।

