
২০২৫ সালের নির্বাচনের ফলাফলের যে কনসেনসাস অ্যানালাইসিস তাতে এই তত্ত্ব হাজির করা হয়ছে যে, মধ্য বামপন্থী প্রগতিশীল ভোটাররা এনডিপিকে পরিত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেলদের ভোট দিয়েছেন। এটাই তাকে বিজয়ী করতে ভূমিকা রেখেছে।
এর কারণ দুটি। একটি হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, পিয়েরে পয়লিয়েভর যাতে প্রধানমন্ত্রী হতে না পারেন সেজন্য এক্যবদ্ধ হওয়া। অবশ্যই আরও কিছু কারণ আছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, এনডিপির ইতিহাসে যে সবচেয়ে খারাপ ফল তা লিবারেলদের শক্তি বাড়িয়েছে এবং প্রগতিশীল ভোটাররা পিয়েরে পয়লিয়েভরের শক্তিশালী অবস্থানের পরও মার্ক কার্নিকে বিজয়ী হতে সাহায্য করেছে। ১৯৮৮ সালের পর কনজার্ভেটিভ শিবিরের জন্য ভোটের সর্বোচ্চ হার ছিল এবারই।
কনজার্ভেটিভ দিহাবডটসিএর সঞ্চালক শন স্পিয়ার সম্প্রতি বুদ্ধিদীপ্ত একটি প্রশ্ন তুলেছেন এবং তা হলো মার্ক কার্নি কি ট্রুডোর নীতি ভেঙে দিচ্ছেন? দ্ব্যর্থহীন উত্তর হচ্ছে, হ্যা।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মার্ক কার্নি এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন তা হলো ভোক্তা কার্বন কর বাতিল, পাইপলাইন উন্নয়নে আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েলে স্মিথের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, অভিবাসন গ্রহণ ব্যাপকভাবে হ্রাস, ক্যাপিট্যাল গেইন ট্যাক্স বৃদ্ধির ব্যাপারে লিবারেলদের অঙ্গীকার বাতিল, ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স বাতিল, ফেডারেল সিভিল সার্ভিসে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনার স্পষ্ট ঘোষণা, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধে সর্বনি¤œ শাস্তি আরোপ, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ক্ষেত্রেও সর্বনি¤œ শাস্তি আরোপ। সেই সঙ্গে কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর তহবিল চলতি বছরের বাজেটে ৮ হাজার ১০০ কোটি ডলার বৃদ্ধি করা।
এসবই বলে দিচ্ছে যে, মার্ক কার্নি জাস্টিন ট্রুডো নন।

