
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ত্রীর ভুয়া নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেননি বলে রুল জারি করেছেন অন্টারিওর বার্লিংটনের একজন বিচারক। এক্ষেত্রে তিনি ফৌজদারি বিধির ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন, যা ডিপফেকের জন্য দায়বদ্ধ নয়।
গত মাসে দেওয়া সিদ্ধান্তে অন্টারিও কোর্টের বিচারপতি ব্রায়ান পুডিংটন বলেন, যদিও কাজটি নৈতিকভাবে নিন্দাজনক এবং এবং খোলাখুলি বললে কুরুচিকর তারপরও এটা অপরাধের মধ্যে পড়ে না। এর কার ফৌজদারি বিধিতে অপরাধটি নিয়ে ব্যবহৃত ভাষা।
এই মামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ ও বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। ¯œ্যাপচ্যাটের মাধ্যমে তার স্ত্রীর ছবি অপরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে বিনিময়ের পর ওই ছবি প্রকাশ করেন তিনি। পুডিংটন বলেন, ছবিগুলোর মধ্যে দুইটিতে ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখা যায়। একটিতে তাকে শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরিহিত অবস্থায় দেখা যায় এবং আরেকটিতে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় ¯œত অনাবৃত দেখা যায়।
বিচারকালে এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, নগ্ন ছবিতে তার মাথা ডিজিট্যালি জালিয়াতি করে নগ্ন দেহের ওপর বসানো হয়েছে, যা তার নিজের শরীর নয়। বিচারক বলেন, কোনো ছবিই ফৌজদারি বিধির আওতায় অন্তরঙ্গ ছবির সংজ্ঞান মধ্যে পড়ে না। প্রথম ছবিটিতে নগ্নতার পর্যাপ্ত উপাদানও অনুপস্থিত এবং ডিজিটালভাবে তৈরি করা ছবিতে প্রকৃতপক্ষে তার শরীর প্রদর্শন করা হয়নি। ডিজিটালভাবে তৈরি ও বিতরণ করা এই ছবিগুলো নৈতিকভাবে নিন্দাযোগ্য এবং সত্যি কথা বলতে কদর্যতার মধ্যে পড়ে না। তবে সংসদ ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে পারে।

