
দেশের অন্যতম ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটের পর সৃষ্ট জাতীয় রক্তদা পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি শিগগিরই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যদিও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, রোগী এবং অ্যাডভোকেসি গ্রুপ এর কড়া সমালোচনা করেছে।
অনেকদিন ধরে ব্লিডিং ডিজঅর্ডারে ভুগছেন টেরি-লিন ল্যাঙ্গডন এবং কোনো অস্ত্রোপচার হলেই তাকে রক্ত নিতে হয়। তিনি বলেন, বহু ক্ষেত্রেই এটা ভুল সিদ্ধান্ত। যে রক্ত আমি গ্রহণ করছি সেটি যে নিরাপদ তা আমি জানতে চাই।
যদিও সঞ্চালনের আগে সব রক্তই নিয়মিতভিত্তিতে পরীক্ষা করা হয়, তারপরও রক্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরেকটি রক্ষাকবচ আছে, যা হিমোভিজিল্যান্স নামে পরিচিত। এই প্রক্রিয়ায় সঞ্চালন ক্ষত বা কোনো ভুল থাকলে তা শনাক্তে উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
ব্লাড সেফটি কন্ট্রিবিউশন প্রোগ্রাম (বিএসসিপি) একটি জাতীয় ব্যবস্থা বা তথ্যভান্ডার, যা প্রদেশ বা অঞ্চলগুলো থেকে জানানো সঞ্চালন সংক্রান্ত কোনো বিরূপ প্রভাব আছে কিনা সেদিকে নজর রাখে। ১৯৮০ এর দশকে রক্ত নিয়ে কেলেঙ্কারির পর ব্যবস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ওই সময় রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে হাজারো কানাডিয়ান এইচআইভি/এইডস এবং হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত হন। এ ঘটনায় ওই সময় ব্যবস্থাটির প্রতি অনাস্থা তৈরি হয়।
কানাডিয়ান হিমোফিলিয়া সোসাইটির ব্লাড সেফটি ও সাপ্লাই পরামর্শক ডেভিড পেজ বিষয়টির ব্যাখ্যা করে বলেন, ক্রেভার কমিশন বা তদন্তের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালে এটি বাইরে আসে। ওই সময় যা উঠে আসে তা হলো, নতুন প্যাথোজেনের ওপর নজর রাখতে আমাদের একটি জাতীয় ব্যবস্থা থাকা দরকার, যাতে করে রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ার আগেই আমরা তা ধরে ফেলতে পারি।

