
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধে কোনো ধরনের চুক্তিতে মস্কোকে বিশ্বাস করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এমন এক সময় তিনি এই মন্তব্য করলেন যখন ইউরোপীয় নেতারা ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আরও আগ্রাসন থেকে উপমহাদেশকে রক্ষার পরিকল্পনা তৈরি করছেন।
ট্রুডো বলেন, এ ঘটনাকে ইউক্রেনে চূড়ান্ত শান্তি সমুন্নত রাখতে নতুন একটি সামরিক জোটে কানাডার যোগদানকে উৎসাহিত করতে পারে। তবে এ জন্য অন্যদেরও এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
রোববার ট্রুডো বলেন, ভ্লাদিমির পুতিন এক মিথ্যাবাদী এবং অপরাধী। তার কথায় কোনোভাবেই আস্থা রাখা যায় না। কারণ, বারবারই তিনি চুক্তি ভঙ্গের প্রদর্শনী করেছেন।
ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে সম্মেলনে যোগদান শেষে লন্ডনে কানাডিয়ান হাইকমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন ট্রুডো। সম্ভাব্য একটি টেকসই ইউক্রেনিয়ান শান্তি চুক্তির পথ খুঁজতে এই সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার রাল্ফ গুডেল শনিবার বলেন, এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য একটি দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিত করা, যাতে করে ইউক্রেনীয় জনগণ তাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় শান্তি পায়। সেই সঙ্গে অনির্ভরযোগ্য প্রতিবেশীর কাছ থেকে যেনো ধারাবাহিক হুমকি অথবা নিপীড়নের শিকার না হয়।
সব ইউরোপীয় দেশ মস্কোর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে চাওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটনের শীতল সম্পর্কের অবসানের পরিপ্রেক্ষিতে লন্ডনের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। ২০২২ সালে রাশিয়ার পুরোপুরি ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলছে ইউরোপীয় দেশগুলো।
হোয়াইট হাউসে শুক্রবার মার্কিণ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির বিস্ফোরক বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রতি দ্ব্যর্থহীন সমর্থন ব্যক্ত করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

