
চলমান ইমিউনাইজেশন ক্যাম্পেইন সত্ত্বেও সিংহভাগ বাবা-মা তাদের সন্তানদের কোভিড-১৯ এবং ফ্লু ভ্যাকসিন দিতে দ্বিধান্বিত বলে কানাডার জনস্বাস্থ্য বিভাগের নিজস্ব এক গবেষণায় উঠে এসেছে। চাইল্ডহুড সিজনাল ইমিউনাইজেশন কভারেজ সার্ভে শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনযোগাযোগ ও শিক্ষার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে কোভিড-১৯ ও ইনফ্লুয়েঞ্জার ব্যাপারে অভিভাবকদের ধারণার দিকে অব্যাহত নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যাশিত ভ্যাকসিন গ্রহণ সম্পর্কে ধারণা পেতে এবং ভ্যাকসিনেশনে উৎসাহিত করতে শিক্ষা ও সচেতনতার ব্যাপারে বাবা-মায়েদের মনোভাবের দিক নজর রাখা জরুরি।
গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, জনস্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করলে ভবিষ্যতে তাদের সন্তানদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ হালনাগাদ করবেন বলে জানিয়েছেন মাত্র ১৭ শতাংশ অভিভাবক। তবে এটা সম্ভবত করবেন না বলে জানিয়েছেন ২৬ শতাংশ অভিভাবক। সন্তানদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ কখনোই হালনাগাদ করবেন বলে জানিয়েছেন ২৮ শতাংশ কানাডিয়ান।
সন্তানদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা দ্বিধান্বিত বলে জানিয়েছেন ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বাবা-মা। এ ব্যাপারে অনেক বেশি দ্বিধায় থাকার কথা জানিয়েছেন ২১ শতাংশ অভিভাবক।
এই সতর্কতার কারণ হিসেবে ভ্যাকসিন নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণার ব্যাপারে বাবা-মায়েদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরা হয়েছে গবেষণায়। সেই সঙ্গে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্যে অবিশ^াস অথবা চিকিৎসকদের কখনো তা উল্লেখ না করার মতো বিষয়ও এই সতর্কতার পেছনে কাজ করেছে।
গবেষণঅ অনুযায়ী, সন্তানদের বার্ষিক ফ্লুর ভ্যাকসিন গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ৪২ শতাংশ বাবা-মা। এর কারণ হিসেবে ১৬ শতাংশ বাবা-মা ভ্যাকসিনের পাশর্^প্রতিক্রিয়ার কথঅ উল্লেখ করেছেন। বাকিরা একে অপ্রয়োজনীয় বলে মত দিয়েছেন।
২০২৩ সালের উপাত্ত অনুযায়ী, মহামারি যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে তখনও শিশুদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ বাবা-মা। নতুন প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর। সারাদেশের ১১ হাজার ২৫৮ জনের ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়।

