
দক্ষিণ অন্টারিওর একটি সিটির একজন কাউন্সিলরের বেতন ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের অধীনে সাম্প্রতিক সময়ে এটাই সবচেয়ে কঠোর শাস্তি। ওই কাউন্সিলর অব্যাহতভাবে অগ্রহণযোগ্য আচরণ করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়ার পর মিউনিসিপালিটির ইন্টিগ্রিটি কমিশনার এই শাস্তি দেন। তার ওই আচরণ সমাজের প্রান্তিক মানুষদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠার ঝুঁকি রয়েছে।
অন্টারিওর পিকারিংয়ের কাউন্সিলর লিসা রবিনসনের বিরুদ্ধে যে একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এটি তার মধ্যে সর্বশেষ। পরিস্থিতি এতোটাই নাজুক হয়েছে যে, মেয়র এখন কোনো কাউন্সিলরকে বহিস্কারের মতো কঠোর শাস্তির সুযোগ দিতে প্রদেশের মিউনিসিপাল আইনে পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।
এদিকে রবিনসন ইন্টিগ্রিটি কমিশনারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কমিশনারের প্রতিবেদনকে মিথ্যায় ভরা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে কাউন্সিলের বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে উইচ হান্টিংয়ের অভিযোগ এনেছেন। টরন্টোর দক্ষিণে অবস্থিত পিকারিংয়ের পরিস্থিতি গত বছর থেকেই পরিবর্তিত হচ্ছে।
সিটি মেয়র বলেছেন, রবিনসনের সর্বশেষ বেতন স্থগিতের পদক্ষেপ বড় কোনো প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদী হতে পারছেন না। গত সেপ্টেম্বর থেকে তৃতীয়বারের মতো তার বেতন স্থগিত করা হলো।
মিউনিসিপা আইনের বিদ্যমান ফাঁকফোকর বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মেয়র ও কাউন্সিলররা গত মাসে প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ও মিউনিসিপাল মন্ত্রীকে চিঠি লেখেন। চিঠিতে কেউ ক্ষতিকর কাজ করে থাকলে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কঠোর শাস্তি দাবি করেন তারা।
অ্যাশ বলেন, আমি মনে করি এটা হবে আইনি অগ্রাধিকার। আমি আশা করি মন্ত্রী ও সরকার সংক্ষিপ্ত আদেশে কিছু একটা করবেন, যাতে করে কাউন্সিল হঠকারী আচরনের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।

