
আগামী কয়েক মাস নির্বাচন দূরে রাখতে ব্লক কুইবেকোয়িসের ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের পেনশন দাবি পূরণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় পাচ্ছে লিবারেল সরকার। তবে এই দাবি লিবারেলদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিলেনিয়াল ও জেনারেশন-জির মধ্যে অবিচারের যে ধারণা তৈরি হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর রাজনৈতিক কৌশল ঠিক করতে লিবারেল বেশ বেগ পেতে হয়েছে। মিলেনিয়াল ও জেনারেশন-জির মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয়েছে যে, পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় তারা যা পাচ্ছে তা যথেষ্ট নয়।
এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সব প্রজন্মের জন্য ন্যায্যতাকে লক্ষ্য রেখে নীতির কথা বলছেন। কিন্তু ৭৫ বছর বয়সের অধীনে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সিকিউরিটি বাড়াতে প্রাইভেট মেম্বার’স বিলের ব্যয়ে সবুজ সংকেত দিতে লিবারেলদের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে ব্লক।
ব্লক নেতা ইভস-ফ্রাসোয়াঁ ব্লাশে বলেছেন, এই সময়ের মদ্যে সরকার বিলটিতে তাদের সমর্থন না দিলে নতুন বছরের আগেই সংখ্যালঘু লিবারেল সরকারকে ফেলে দিতে অন্য দলগুলোর সঙ্গে তিনি আলোচনায় সম্পৃক্ত হবেন।
পেরেজ স্ট্র্যাটেজিসের লিবারেল স্ট্র্যাটেজিস্ট অ্যান্ড্রু পেরেজ বলেন, জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য আরও বেশি ব্যয়ের মধ্যে ট্রুডোর লিবারেল পার্টির রাজনৈতিক কী অসুবিধা আছে পরিস্কারভাবে আমি তা দেখতে পাচ্ছি না। এই বয়সীদের মধ্যেই লিবারেলরা একন পর্যন্ত প্রতিযোগিতাসক্ষম আছে বলে মনে হচ্ছে।
জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৫ সালে যে তরুণ ভোটারদের সহায়তায় ট্রুডোর জনপ্রিয়তা বেড়েছিল তারাই এখন দক্ষিণপন্থী কনজার্ভেটিভ নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভরের প্রতি ঝুঁকেছেন।
পেরেজ বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই তরুণদের মধ্যে কনজার্ভেটিভদের তুলনায় লিবারেলরা বেশি জনপ্রিয়। সেই তরুণদের মধ্যে লিবারেলদের জনপ্রিয়তা হ্রাস হতাশাজনক।

